• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » রিপোর্ট নেয়াকে কেন্দ্র করে ঢামেকে নার্স-ব্রাদার ও স্টাফদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০, তদন্ত কমিটি


রিপোর্ট নেয়াকে কেন্দ্র করে ঢামেকে নার্স-ব্রাদার ও স্টাফদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০, তদন্ত কমিটি

আমাদের নতুন সময় : 19/08/2019

মাসুদ আলম ও মোস্তাফিজুর রহমান : রক্তের রিপোর্ট আগে নেয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নার্স-ব্রাদারদের সঙ্গে প্যাথলজি বিভাগের স্টাফ ও কর্মচারিদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢামেকের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার প্যাথলজি বিভাগে এ সংঘর্ষ হয়। পরে থেমে থেমে প্রায় ১ ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ঢামেক হাসপাতালের ব্রাদার মো. রাসেল বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টায় তার এক আত্মীয়ের রক্তের রিপোর্ট আনতে প্যাথলজি বিভাগে যান। নিয়ম অনুযায়ী তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। অনেকক্ষণ লাইনে থাকার পরও রিপোর্ট না পেয়ে তিনি রিপোর্ট প্রদানকারী কর্মকর্তাকে দেরি হওয়ার কারণ জানতে যান। ওই কর্মকর্তা তাকে জানান, আপনি ব্রাদার হলেই আপনার রিপোর্ট তাড়াতাড়ি দেবো, এমন কোনো কথা আছে? এর পরপর তাদের মধ্যে বাগবিত-া শুরু হয়। একপর্যায়ে রিপোর্ট প্রদানকারী ওই ব্যক্তি রাসেলের কলার ধরে মারধর করে। রাসেলের সঙ্গে থাকা আরও তিনজন এর প্রতিবাদ করলে প্যাথলজিতে থাকা অপর স্টাফ ও কর্মচারিরা তাদের মারধর করে। এসময় প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. আজিজ তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এ ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। তিনি তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও তার সামনে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এদিকে প্যাথলজি বিভাগে তিনজন নার্সকে আটকে রেখে মারধর করা হচ্ছে এমন খবর হাসপাতালে ছড়িয়ে পড়লে অন্য নার্স-ব্রাদাররা মিছিল করে প্যাথলজি বিভাগে যান। সেসময় প্যাথলজি বিভাগের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে ভেতরে দুপক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি ও টেকনোলজিস্টরা একদিকে অন্যদিকে হাসপাতালের নার্স ও ব্রাদাররা।

প্যাথলজি বিভাগের কর্মচারি রুবেল বলেন, যারা তিন-চার বছর আগে নিয়োগ পেয়েছেন নতুন নার্স, তাদের আদব-কায়দা বলতে কিছুই নেই।
এ ব্যাপারে ডা. আজিজের জানান, তিনি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। উল্টো তার ওপর হামলা করা হয়।
ঢামেক পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, এটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। ভুল বোঝাবুঝির জন্য হয়েছে। আমরা উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে সমঝোতা করে দিয়েছি। তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সাপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]