• প্রচ্ছদ » » শারীরিক সুস্থতা খুব বেশি নির্ভর করে লাইফ স্টাইল এবং পারিপার্শ্বিকতার ওপর


শারীরিক সুস্থতা খুব বেশি নির্ভর করে লাইফ স্টাইল এবং পারিপার্শ্বিকতার ওপর

আমাদের নতুন সময় : 19/08/2019

নাদেরা সুলতানা নদী

‘বেøসিংস’ বাংলায় বোধহয় আশীর্বাদ বা আশীর্বাদপুষ্ট এমন কিছু। এই শব্দটা আমার খুব প্রিয়। আমি একটু বেশিই বলি, ‘আই অ্যাম বেøসড’! জীবন যখন হাজারটা না পাওয়া এসে ধাক্কা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকেই ছিটকে ফেলে, আমি তখনো কোনো না কোনো একটা পাওয়া আঁকড়ে ধরেই বলি, ‘ইয়েস আই অ্যাম বেøসড’। আমার এই প্রবাসে থাকা কাছের এক বন্ধু, সব মিলে রীতিমতো সুস্থ। মানে তেমন কোনো সমস্যাই নেই বলার মতো। হঠাৎ একদিন রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে মাথা ঘুরে গেলো। কাছের কাউকে এক গøাস পানির কথা বলতে না বলতেই সেন্স হারিয়ে ফেললো এবং মাথাসহ শরীরের বেশ কিছু অংশ ইনজুরড… ব্যস্ত রাস্তা, কেউ অ্যাম্বুলেন্স ডেকে দিলো। এখানে ইমারজেন্সি এই বিষয়টা মানুষ সময়মতো পায়। অবশ্যই এটাও বেøসিংস। নানা টেস্টের পর দেখা গেলো, না বড় কোনো সমস্যা নেই।
ডাক্তার দুটো জিনিস প্রাইমারি চেকআপে জানালো… শরীর হঠাৎ পানিশূন্য হয়ে যাওয়া এবং কোনো কিছু নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকা। (টেনশন ছিলো, চাপা স্বভাবের মানুষ তাই কাছের কাউকে বুঝতে দেয়নি)। আমাদের মাঝে এমন অনেকই আছে, দিনের পর দিন পারিবারিক বা কাজের বা ব্যাক্তিগত কোনো চাপ একাই বয়ে নিয়ে বেড়ান এবং অনেক সময় সেসব শরীরে নিজের অজান্তেই এমন একটা অনাকাক্সিক্ষত সময়ের মাঝে ফেলে দেয়। দিনের পর দিন কোনো কিছু সহ্য করা আমরা অনেকেই সয়ে নেই বা অভ্যস্ত হয়ে যাই… কিন্তু পুরোপুরি যাই কি? আমরা কেউ জানি না… এই যে জীবনের এতো আয়োজন কোথায় কখন কার থেমে যাবে। তবে আজ আমার খুব করে সবাইকে বলতে ইচ্ছে করছে, সময় থাকতে সবাই নিজের যতœ করাটা নিজেই শিখে নিন। অন্য কারও উপর ভরসা করে নয়… নিজের কাজ এবং হেলদি লাইফ স্টাইলের বিকল্প কিছু নেই। শরীর হঠাৎ খারাপ হয়ে গেলে নিজের পৃথিবী বলে আসলে কিছু থাকে না। সব প্রিয়জন তো চাইলেও কাছে থাকতে পারে না এক জীবনে। হঠাৎ শরীর খারাপ হয়ে যাওয়ার অবস্থায় যারা পড়েছেন শুধু তারাই বোধহয় এটা অনুধাবন করতে পারবে।
আই অ্যাম বেøসড এই কথাটা কেন বলি, আমার মা-বাবা আমাকে শিখিয়েছেন নিজের কাজ নিজেই করতে হবে… এবং আমি করতে পারি। আমি আজকে পর্যন্ত পারছি… (শুকরিয়া)। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে সেই আমিই একজন মায়ের ভ‚মিকায় পুরোপুরি ব্যর্থ… পারিনি হেলদি লাইফ স্টাইলে আনতে। ছেলে আমার টিন এখনো, চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, দেখি সামনে ও কতোটা পিক করে…। আমি সুস্থ আছি… নিজের চেষ্টাতেই থাকি। কিন্তু এটা ঠিক শারীরিক সুস্থতা খুব বেশিই নির্ভর করে একান্ত লাইফ স্টাইল এবং পারিপার্শ্বিকতার উপর। খুব চাইলেও সবাই সবসময় তা পারে না… তারপরও নিজেকে বলি…বন্ধুদের বলি ‘হাল ছেড়ো না বন্ধু ওগো’। (এই স্ট্যাটাসটা লিখেই ঘুমাতে যাবো, এর মাঝেই একটা মেসেজ আমার রোকেয়া হলে থাকা এক বন্ধুর ক্যান্সার, প্রাইমারি স্টেজ কিন্তু কেমো নিতে হবে, বুকটা খুব বেশিই শূন্য লাগছে, ও দ্য আলমাইটি বেøস মাই ফ্রেন্ড, আমি নিতেই পারছি না এই চাপ)। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]