• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » কমলাপুর ও সায়দাবাদ টার্মিনালে জমে থাকা পানিতে ঝাঁক ঝাঁক মশা, ট্রেনের প্রতিটি বগীতে অ্যারোসল ব্যবহৃত হচ্ছে না


কমলাপুর ও সায়দাবাদ টার্মিনালে জমে থাকা পানিতে ঝাঁক ঝাঁক মশা, ট্রেনের প্রতিটি বগীতে অ্যারোসল ব্যবহৃত হচ্ছে না

আমাদের নতুন সময় : 20/08/2019

শাহীন খন্দকার : কমলাপুর বিআরটিসি বাস ডিপোর পূর্ব পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে আটটি বাস। বাসের নিচে ও ভেতরে জমে আছে পানি । দিনের আলোয়ও বাসের  পেছনে জমে থাকা পানির ওপর ঝাঁক ঝাঁক মশা । ডিপোতে দিনেও মশার উৎপাত অনেক বলে জানান ডিপোর উপব্যবস্থাপক (টেকনিক্যাল) মো. জিলানী। তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেরা  নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়  কোথাও পানি জমে থাকলে তা ঠিক করার চেষ্টা করি। তবে সিটি করপোরেশন এখানে মশার ওষুধ ছিটায় নাই।’

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর বাস ডিপো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-৫এর অধীনে। ডিএসসিসির অঞ্চল-৫এর সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিশাত পারভীনের দাবি, ১৫ আগস্টে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর বাস ডিপোতে দুইবার লার্ভা ও মশার ওষুধ ছিটানো হয়েছে। নিয়মিতভাবেই ওষুধ  দেয়া হচ্ছে। অথচ পরিবহনমালিক-শ্রমিকেরা তা বলতে চান না।

জানতে চাইলে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘মালিকেরা  তেমনভাবে ওই নির্দেশ মানেনি। তারা না মানলে আর কী করার থাকতে পারে? তবে মাঝে-মধ্যে টার্মিনালগুলোতে ওষুধ দিচ্ছি। দুই-একটি বাস কোম্পানি বাসে অ্যারোসল দিচ্ছে। শ্রমিক দিয়ে টার্মিনাল পরিষ্কার করছি। আগে  তো কিছুই ছিল না, আমরা এখন যতটুকু পারা যাচ্ছে, করার  চেষ্টা করছি।’

গতকাল ১২টার দিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে  দেখা  গেল, সন্মুখ ভাগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকলেও  স্টেশন জুড়েই ময়লা আবর্জনার ওপর উড়ছে মশা !  অসংখ্য স্থানে গর্ত হয়ে পানি জমে আছে। ট্রেনের  ভেতরে  পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্টরা জানান,ট্রেনের  প্রতিটি বগিতে  তিনটি করে অ্যারোসল দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হচ্ছে না ।  সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, ট্রেনের ভি আই পি বগিতেও তেমন দেয়া হয়না । তবে মন্ত্রী এম,পি সচিবসহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা ও আত্মীয় স্বজনের যাত্রাকালে অ্যারোসল ব্যবাহার হয় ।

রেল স্টেশনের প্লাটফর্মের পূর্ব পাশেই অরক্ষিত ভাবে পরে আছে বেশ কয়েকটি ট্রেনের বগি । যে সব বগির  ভেতরে বৃষ্টির পানি জমে সেখানে মশা উড়ছে। কমলাপুর  রেল স্টেশনের দক্ষিণে ও উত্তরে রয়েছে বিশাল নার্সারি ,বাগান, সেখানে টবে এবং পলেথিনে বিভিন্ন জাতের ফুল ও ফলের চারা রোপণ করা হয়েছে।  সেখানে  মশা উড়ছে, নার্সারী পরিচর্চাকারিদের নিকট জানতে চাওয়া হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, এখানে রেল কর্তৃপক্ষকে অবগত করার পরেও তারা মশা নিধনের উদ্যোগ নেয়নি।

তবে সন্ধ্যার পরে নার্সারীতে মশার উৎপাতে টেকা যায় না। তারা আরও জানান সিটি করপোরেশন থেকে জুলাইয়ের শেষ দিকে একবার ফগার মেশিনের সাহায্যে নামসর্বস্ব ওষুধ দিয়ে গেছে। এর পরে আর আসেনি কেউ। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী

 

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]