• প্রচ্ছদ » লিড ১ » ২০২৩ সালের মধ্যে সব প্রাথমিক স্কুলে দুপুরের খাবার দেয়া শুরু হবে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুমোদন


২০২৩ সালের মধ্যে সব প্রাথমিক স্কুলে দুপুরের খাবার দেয়া শুরু হবে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুমোদন

আমাদের নতুন সময় : 20/08/2019

আনিস তপন : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার অন্তর্ভুক্ত করে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯’ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নীতিমালার খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

শুরুতে চর, হাওর ও দুর্গম এলাকার স্কুলগুলোতে এই সুবিধা দেওয়া শুরু হলেও ২০২৩ সালের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের দুপুরের এই খাবার সরবরাহের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার বলেন সচিব।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় স্কুল মিল প্রকল্প পরিচালিত হবে। তবে ইতোমধ্যে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১০৪টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল মিল কার্যক্রম চলছে। তিনি বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় তিন থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের দৈনিক শক্তি চাহিদার ৩০ শতাংশ (ক্যালরি) পূরণ করবে এমন খাবার দিতে হবে এই খাবারের মাধ্যমে।

মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, স্কুল মিল চালুর জন্য জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ গঠন করবে সরকার। এর একটি উপদেষ্টা কমিটি থাকবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুল মিল বাস্তবায়নের জন্য পরিচালনা কমিটি থাকবে। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউএনও এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান যুক্ত থাকবেন। তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১০১টি উপজেলায় উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে। আর তিনটি উপজেলায় প্রাথমিক স্কুলে দেওয়া হচ্ছে রান্না করা খাবার। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব স্কুলে রান্না করা খাবার দেওয়া হয় সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বেড়েছে ১১ শতাংশ। বিস্কুট দেওয়া হয় যেসব স্কুলে সেখানে ছয় শতাংশ উপস্থিতি বেড়েছে। সচিব জানান, সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক স্কুলে ছয় দিন বিস্কুট দিলে খরচ হবে দুই হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। আর পাঁচ দিন রান্না করা খাবার ও একদিন বিস্কুট দিলে খরচ হবে পাঁচ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে বিস্কুট, ডিম, কলা দিলে খরচ হবে সাত হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা।

বর্তমানে সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা ৬৬ হাজার। শিক্ষার্থী এক কোটি ৪০ লাখ। এখন ১০৪টি উপজেলায় খরচ হচ্ছে ৪৭৪ কোটি টাকা। এখন ১৫ হাজার ৩৪৯টি স্কুল এই সুবিধা পাচ্ছে।

স্কুল মিলের জন্য শিক্ষার্থী প্রতি সর্বোচ্চ খরচ হবে ২৫ টাকা। শুধু বিস্কুটে খরচ ৯ টাকা, রান্না করা খাবার ১৬ থেকে ১৮ টাকা, ডিম-কলা-বিস্কুট দিলে খরচ হবে ২৫ টাকা।

এছাড়াও মন্ত্রিসভা বৈঠকে তথ্য প্রযুক্তি খাতের সহায়তায় স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি নতুন কোম্পানি গঠনের অনুমতি দেয়া হয়। এ জন্য একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের আওতায় এ কোম্পানি গঠন করা হবে। প্রস্তাবটি বৈঠকে উপস্থাপন করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

 

 

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]