পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের প্রস্তুতি ছিলো ভারতের, বললেন সেনা প্রধান

আমাদের নতুন সময় : 21/08/2019

ইমরুল শাহেদ : পাকিস্তানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল ভারত। সোমবার দিল্লিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে নিজেদের কৌশলের কথা শেয়ার করেন ভারতের সেনা প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। আর তখন থেকেই আবারও যুদ্ধ নিয়ে চোরা¯্রােত বইতে শুরু করে। সংবাদ প্রতিদিন, দি হিন্দু বিজনেস লাইন, পিটিআই।

সেনা কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, পুলওয়ামার বদলায় বালাকোটই শুধু নয়, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পুরোদমে যুদ্ধের জন্য মুখিয়ে ছিল সেনাবাহিনী। বিপিন রাওয়াতের বরাত দিয়ে পিটিআই জানিয়েছে, পাকিস্তানের ভূখ-ে ঢুকে শিক্ষা দেওয়ার সমস্ত প্রস্তুতিই নেয়া হয়ে গিয়েছিল। সেইসঙ্গে বিকল্প একাধিক পথও ভেবে রাখা হয়েছিল। বালাকোট দিয়ে আকাশপথে হামলাও সেই বিকল্প ভাবনার মধ্যেই ছিল এবং তা দিয়েই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে চেয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী।

কলকাতা থেকে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের মতো বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিস্তর ভাবতে হয় ভারতকে। সেদেশের তরফে উসকানি একেবারে চরম পর্যায়ে না পৌঁছলে ভারতও সরাসরি রণক্ষেত্রে নামবে না। কারণ, যুদ্ধের ভয়াবহতা তার চেনা, জানা। পাকিস্তানেরও ধর্ম, বাইরে শান্তিস্থাপনের কথা বলে চিরকাল চুপিসারে সন্ত্রাসবাদকে লালন করা। আর তাকে ভারতের ক্ষতিসাধনে সর্বপ্রকারে প্রয়োগ করা। ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ের উপর ভয়ংকর আত্মঘাতী জঙ্গি হামলা তার একটি। কাশ্মীর উপত্যকার তুষারাবৃত পথঘাট এক লহমায় ভেসে গিয়েছিল ৪৯ জন নিহত সিআরপিএফ সদস্যের রক্তে।

এরপর আর কেউ স্থির থাকতে পারেননি। সিআরপিএফ সদস্যদের মৃত্যুর বদলা নিতে পাকিস্তানের উপর আক্রমণ চালাতে চেয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে একেবারে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। সেনাসূত্রে খবর, পাকিস্তানের তরফে গত কয়েকবছর ধরে যে আক্রমণ এসেছে ভারতের মাটিতে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই একটু একটু প্রস্তুতি চলছিল। ১১ হাজার কোটি রুপির আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করা ছিল সেনাশিবিরে, যা কিনা মোট প্রয়োজনের ৯৫ শতাংশ। পুলওয়ামা হামলার পর আরও ৭ হাজার কোটি রুপি বিশেষ আগ্নেয়াস্ত্রের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যাতে যুদ্ধক্ষেত্রে একেবারে পূর্ণ শক্তি নিয়ে লড়াই চালাতে পারে। আর এসব নিয়েই যুদ্ধে যেতে চেয়েছিল সেনাবাহিনী। তৈরি ছিল বিকল্প পদক্ষেপের নীল নকশাও। সোমবার বিপিন রাওয়াত নিজেই এসব তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন। সম্পাদনা : ইকবাল খান

এমরান পাটোয়ারী : ফেনীর আলোচিত মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গতকাল মঙ্গলবার ৩৪ তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাগাজী মডেল থানার তৎকালীন ওসি তদন্ত মো. কামাল হোসেনের সাক্ষ্য ও জেরা হয়। আজ বুধবার এই মামলার সর্বশেষ ৯২ নম্বর সাক্ষি ও অভিযোগপত্র প্রদানকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ফেনী শাখার পরিদর্শক শাহ আলম সাক্ষ্য দিবেন। এছাড়া আসামি পক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ফেনীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনকে পুনরায় জেরা করার আবেদন করলে আদালত তা গ্রহণ করে পুনরায় আজ তাঁকেও জেরা করার তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু জানান, নুসরাত হত্যা মামলার সাক্ষ্য কার্যক্রম একদম শেষের দিকে। এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষি অভিযোগপত্র প্রদানকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ফেনী শাখার পরিদর্শক শাহ আলমের সাক্ষ্য শেষে যুক্তি তর্ক শুরু হবে। এ মামলার ৯২ জন সাক্ষির মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলার এজহারে ৯২ জন সাক্ষি অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ইতোমধ্যে ৯২ জনকে সাক্ষির জন্য আদালতে ডাকা হলে ৫ জন আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত না হলেও তারা ডকুমেন্টারি সাক্ষি হওয়ার কারণে আদালতে উপস্থিত না হলেও তারা সাক্ষি হিসেবে গণ্য হবেন। কারণ তাদের পক্ষে আদালতে কাগজপত্র জমা দেয়া হয়েছে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]