• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অর্থবহ ও সুদূরপ্রসারী ফল পেতে ১৯৮২ র আইন পরিবর্তন প্রয়োজন, অভিমত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকের


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অর্থবহ ও সুদূরপ্রসারী ফল পেতে ১৯৮২ র আইন পরিবর্তন প্রয়োজন, অভিমত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকের

আমাদের নতুন সময় : 21/08/2019

তাপসী রাবেয়া : ২২ আগস্ট প্রথম পর্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও এই মাসের যেকোনো দিনই প্রথম দফায় রোহিঙ্গাকে গ্রহণ করবে মিয়ানমার, এমনটাই বলছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করা ১১ লাখের ৭৫ শতাংশ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের কাছ থেকে আইনি নিশ্চয়তা চান। ভয়েস অব রোহিঙ্গা নামে সংগঠনটি এ ব্যাপারে  শরণার্থীরা ক্যাম্পে ৫ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিলি করে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করেছে। এদিকে গতকাল প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জাতিসংঘ ও বাংলাদেশি সংস্থা আয়োজিত মতামত যাচাই ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করেননি বেশিরভাগ রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। এই দফার আগে জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০১৮ সালে একবার প্রত্যাবাসন শুরুর কথা থাকলে রোহিঙ্গাদের বিরোধিতায় তা ভেস্তে যায়। সেসময় আট দফা দাবি তুলেছিলো রোহিঙ্গারা। এর মধ্যে ছিলোÑনাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, বাড়িঘর জমি ফেরত পাবার নিশ্চয়তার মতো বিষয়গুলো। এসব দাবি নিয়ে তখন বিক্ষোভ করেছিলো আরাকান রোহিঙ্গা হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস সোসাইটি নামের একটি সংগঠন।

রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার আবুল কালাম বলেন, সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গার তালিকা তৈরি করেছে মিয়ানমার। বাংলাদেশের দেয়া ২২ হাজার জনের মধ্যে তাদের বাছাই করা হয়। ২৬ নম্বর ক্যাম্পের আব্দুল করিম নামে মাঝারি গোছের এক নেতা জানান সুনির্দিষ্ট যে দাবি আছে তা বাস্তবায়ন না হলে কেউ যেতে রাজি না। এবারের পাঁচ দফার মধ্যে সংসদের আইন করে আরাকানের নাগরিত্ব দেয়ার দাবি জানিয়েছে শরণার্থীরা। এবং এই আইনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও দাবি করেছে তারা। আরাকান রাজ্যের জন্য সিটিজেন কার্ড প্রচলনেরও দাবি তাদের। প্রত্যাবাসনের নামে কোনো ক্যাম্পে যেতে চান না শরণার্থীরা। এই অঞ্চলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের নিরাপত্তাও দেয়ার দাবি তাদের। ২৬ নম্বর ক্যাম্পের নেতা বদরুল আলম বলেন, যুগের পর যুগ অনিশ্চয়তার জীবন আর চাই না। পাঁচটি দাবি মেনে নিলে একদিনও বাংলাদেশে থাকতে চাই না আমরা।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এ প্রতিবেদককে বলেন, আরাকানের জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলে ১৯৮২ সালের আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন প্রণয়ন করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিতে হবে মিয়ানমারকে। তা না হলে এই সংকট সংকটই থেকে যাবে। রোহিঙ্গারা যে মৌলিক দাবি তুলেছেন তা খুবই যৌক্তিক বলেই মনে করেন এই বিশ্লেষক। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]