• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভারত নয় চীনের সহায়তাই বেশি প্রয়োজন, মনে করেন কূটনীতিকরা


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভারত নয় চীনের সহায়তাই বেশি প্রয়োজন, মনে করেন কূটনীতিকরা

আমাদের নতুন সময় : 21/08/2019

তাপসী রাবেয়া : বাংলাদেশে সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছেন ভারত-বাংলাদেশ-মিয়ানমারের স্বার্থেই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হওয়া উচিত। তবে তার এই বক্তব্যকে স্বাগত জানালেও সহমত পোষণ করতে পারছেন না দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তাদের অভিমত, দীর্ঘদিন ধরে চলা রোহিঙ্গা সংকটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিয়ানমার সফর করলেও বাংলাদেশের স্বার্থ নিয়ে কিছুই বলেননি। সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ওয়ালিউর রহমান বলেন, ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের বাণিজ্যিক লেনদেন রয়েছে। সেই দেশের সঙ্গে রেল সংযোগ ও পোর্ট করছে ভারত। ফলে মিয়ানমারের স্বার্থও দেখছে ভারত। তাই মোদি তার সফরে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কিছু বলেননি। সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে এই কূটনৈতিক বলেন, আসলে চীন দফায় দফায় বাংলাদেশের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানানোর পর ভারত তার অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

যে কারণেই হোক ভারতের এই অবস্থান বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে বলেও মনে করেন এই আমলা। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ভারত কার্যত পরিস্থিতির চাপে পড়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহায়তার কথা বলছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশ নয় মিয়ানমারের নেপিডোকে নিজেদের অবস্থানের কথা বলতে হবে ভারতকে। আর সে জন্য বাংলাদেশ নয় মিয়ানমারে যেতে হবে ভারতের প্রতিনিধিদের। এই বিশ্লেষক বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বিবৃতি দিয়েছে, ভারত নয়। এমনকি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন প্রতিনিধিও বাংলাদেশে এসে রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিজেদের সহমর্মিতা ও বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে। দুই বিশ্লেষকই মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সুর নরম হয়েছে। চীনের মধ্যস্ততার কারণেই প্রত্যাবাসন নিয়ে এবার আশাবাদী হওয়া গেছে। তবে বাংলাদেশে অবস্থানরত শরণার্থী রোহিঙ্গাদের যে দাবি সেগুলি বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘকে আরো সতর্ক নজর রাখতে হবে। তারা এও মনে করেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না দিলে আবারো রোহিঙ্গারা সামরিক নির্যাতনের শিকার হবে। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]