• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা এখনো গ্রেপ্তার হননি পলাতক ১৮ আসামি


হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা এখনো গ্রেপ্তার হননি পলাতক ১৮ আসামি

আমাদের নতুন সময় : 21/08/2019

সাজা বাড়াতে রাষ্ট্রপক্ষের কোনো আবেদন নেই
এস এম নূর মোহাম্মদ : হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা-মামলার ডেথ রেফারেন্স। এখন চলছে পেপারবুক প্রস্তুতের কাজ। পেপারবুক প্রস্তুত হলেই প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির তা একটি বেঞ্চে পাঠানো হবে। আর তখনই এর শুনানি শুরু হবে। গত বছরের ১০ অক্টোবর রায় ঘোষণার সময় দ-প্রাপ্ত পলাতক ১৮ আসামিকে গ্রেফতারের জন্য আদালত পরোয়ানা জারি করে। তবে এখনো পর্যন্ত কোন আসামিকেই গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাতে দ্রুত পেপারবুক প্রস্তুত শেষ হয় তা সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টিতে আনব। পেপারবুক প্রস্তুত হলেই ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, যারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে এদের সাজা বৃদ্ধির জন্য আবেদন করতে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। আমরাও কোন আবেদন করিনি। আর পলাতকদের বিষয়ে আইন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।
এদিকে উচ্চ আদালতেও বিচারিক আদালতের দেওয়া দ- বহাল থাকবে বলে আশা করেন এ মামলায় বিচারিক আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে থাকা আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল। তবে পলাতক আসামিদের বিষয়ে তিনি বলেন, গ্রেফতারের দায়িত্ব পুলিশের। তারা বলতে পারবে কেন এখনো কোন আসামি কেন এখনো গ্রেফতার হয়নি।
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুইটি মামলায় গত বছরের ১০ অক্টোবর সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদ- দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদ-। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয় ১১ আসামিকে।
পৃথক দুই মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়সহ ৩৭ হাজার ৩৮৫ পৃষ্ঠার নথিপত্র হাইকোর্টে আসে গত বছরের ২৭ নভেম্বর। আর রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর মৃত্যুদ- ও যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। আপিলে বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজার রায় বাতিল চেয়েছেন তারা।
পলাতকদের মধ্যে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত দুই আসামি হলেন জঙ্গিনেতা মাওলানা মো. তাজউদ্দীন এবং হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ। যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত পলাতক আসামিরা হলেন, মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো. খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর, মো. ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই এবং রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু।
দুই বছর কারাদ- প্রাপ্ত পলাতক আসামিরা হলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার, ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান এবং ডিএমপির উপকমিশনার (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]