গাড়ি চালিয়ে সংসার চলছে জজ মিয়ার

আমাদের নতুন সময় : 22/08/2019

ইসমাঈল ইমু : জজ মিয়া বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবাই কোনো না কোনো সহায়তা পেয়েছেন। ওই ঘটনায় আমিও বড়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। জীবন বিপন্ন করে সত্য উদ্ঘাটনে সাক্ষ্য দিয়েছি। এখনো ভয়ে-আতঙ্কে কাটাই প্রতিদিন। অথচ সরকার থেকে কোনো সহায়তা পাইনি।

জজ মিয়া জানান, চাপের মুখে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা নিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনিই তুলে ধরেন প্রকৃত সত্য। বিনা অপরাধে পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হয়েছিল তাকে। সামান্য আয়ে স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে কোনোরকমে তার সংসার চলছে। গ্রামে থাকা মায়ের খরচও দিতে হয় তাকে।

তিনি বলেন, আটকের ছয় দিন পর ঢাকার আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেয়া হয়। ২১ দিন রিমান্ডসহ মোট ২৭ দিন সিআইডি কার্যালয়ে রাখা হয়। তার জন্য নতুন লেপতোশক ও বালিশ কেনা হয়। ভালো খাওয়া দেয়া হয়। ২৭ দিন ধরে তাকে মূলত ভয় দেখানো এবং জবানবন্দি মুখস্থ করানো হয়। কয়েকদিন পরপর একজন এসপির কক্ষে পরীক্ষা নেয়া হতো, জবানবন্দি ঠিকভাবে মুখস্থ হয়েছে কি না।

গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জজ মিয়া বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে গ্রেনেড হামলার সময় তিনি নোয়াখালীর সেনবাগের বীরকোট গ্রামে ছিলেন। ওইদিন বিকেলে হামলা প্রতিবাদে স্থানীয়দের সঙ্গে মিছিলও করেন তিনি। কয়েকদিন পর গ্রামের চৌকিদার এসে জানায় থানার আকবর দারোগা তাকে খুঁজছে। তিনি এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরদিন দারোগা নিজেই এসে চায়ের দোকানে পান তাকে। জজ মিয়া নাম শুনেই তার হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে দেন। স্থানীয়রা কেন তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে জানতে চাইলে দারোগার বক্তব্য, ঢাকার একটি মামলায় তাকে আটক করা হচ্ছে। এপর তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]