গ্রাম নিয়ে সরকারের রূপরেখা তৈরি

আমাদের নতুন সময় : 22/08/2019

 

মো. আখতারুজ্জামান : শহরের সুবিধা পৌঁছানোর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির বৈচিত্রায়ণ করা লক্ষ্যে নতুন রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য যে ধারণাপত্রটি তৈরি করা হয়েছে সেখানে এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি ধারণাপত্রটি তৈরি করেছে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। এটি খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধান যে অঙ্গীকার দিয়ে ছিলো সেই আলোকে এ রূপ রেখা তৈরি করা হয়েছে বলে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনি ইস্তিহারে বলে ছিল ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’। অর্থাৎ প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ। চলমান গ্রামীণ রূপান্তরের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গ্রামীণ আয়ের বৈচিত্যময় উৎস। জাতীয় শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশ এখনও কৃষিখাতের সঙ্গে জড়িত; যা গ্রামীণ আয় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎস হিসেবে রয়ে গেছে। এতে করে জাতীয় উৎপাদন কাঠামোয় প্রয়োজনীয় কাঠামোগত রূপান্তরের অংশ হিসেবে কৃষির আপেক্ষিক অবদান কমবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিইডির সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম বলেন, আমরা ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরিতে দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছি। তাহচ্ছে, ত্বরান্বিত সমৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি। নগর ও গ্রামাঞ্চল উভয় ক্ষেত্রেই আয় বেড়েছে। রেমিট্যান্সের ব্যাপক প্রবাহের পাশাপাশি বাণিজ্য, পরিবহন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন সেবাখাতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অনেক গ্রামেই অ-কৃষি খাতে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কৃষি কর্মসংস্থান দিন দিন কমে যাচ্ছে। কৃষি শ্রমিকদের মজুরি আগের তুলনায় বেড়েছে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান আয় বাড়ার কারণে গ্রামীণ রূপান্তর চলমান রয়েছে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]