ধর্ষকামী মানুষ পরিবেশের দিকে তাকায় না, বললেন ডা. তাজুল ইসলাম

আমাদের নতুন সময় : 22/08/2019

আমিরুল ইসলাম : ধর্ষণ করার মানসিকতা কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তৈরি হয়? দেশে দিন দিন ধর্ষণের পরিমাণ বাড়ছে কেন, জানতে চাইলে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, কিছু পাশবিক মানুষ আছে তারা তাদের লোভ, কামনা সেগুলো অব্যাহত রাখবে। তাদের কোনো বিবেক নেই। আশপাশে কি হলো না হলো, বিভিন্ন বিপর্যয় নিয়ে তারা যে চিন্তিত হবে, তাদের মন অন্য রকম থাকবে, এমনটা নয়। তারা তাদের লোভ, কামনা, লালসা চরিতার্থ করার জন্যই ব্যস্ত থাকে।

তিনি বলেন, ধর্ষণের কারণ হলো ১. কামনা, লালসা, সন্তুষ্টি বা পরিতৃপ্তি পাওয়ার আকাক্সক্ষাটাই তীব্র থাকে। ২. এটাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে আবেগীয় শিক্ষা সেটা ছোটকাল থেকে তাদের দেয়া হয় না অথবা মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাসন যেটা ক্রিয়া করতো সেটা বাস্তবভাবে প্রয়োগ করা হয় না। পুলিশি ব্যবস্থা বা আইনি ব্যবস্থা ভালোভাবে কার্যকর নয়। ৩. পারিবারিক ও সামাজিকভাবে ধর্মীয় মূল্যাবোধ সৃষ্টি করার কার্যক্রম কমে যাচ্ছে। এসব কারণে দেখা যায় পরিবেশে বা আশপাশে কি হলো না হলো সেটাতে তার মনোযোগ নেই। এমনও দেখা যায় তার ঘরেই কেউ অসুস্থ আছে সেটাতে মনোযোগ না দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লো আরেকজনের ওপর।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় অনুশাসনগুলো যান্ত্রিকভাবে পালন করার কারণে মূল ধর্মীয় চেতনা, বাণী ও আহ্বান থেকে মানুষ দূরে সরে যাচ্ছে। যার ফলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিদের মধ্যেও ধর্ষণ করার প্রবণতা দেখা যায়। ধর্মীয় শিক্ষা নেয়ার পাশাপাশিই অনেককে খারাপ কাজ করতে দেখা যায়। তারাই  আবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব নেয়। যার ফলে ধর্ষণ ও বিভিন্ন অপরাধ করতে তাদের আমরা দেখতে পাই। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান আমাদের সংশোধন করে না ,ধর্মীয় বাণীগুলোকে নিয়ে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার শিক্ষা আমাদের চালু করতে হবে।

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]