একুশ আগস্ট ও তারেক রহমান

আমাদের নতুন সময় : 23/08/2019

মুন্সি জাকির হোসেন

জিয়া সরাসরি ১৫ আগস্ট ঘটিয়েছিলো এটি যেমন বলার সুযোগ তেমন জিয়া ঘটনা জেনেও নীরব ছিলো, ঘটনার পর সবচেয়ে বেশি বেনিফিশিয়ারি ছিলো জিয়া এটিও নিরেট সত্য। শুধু নীরব থেকেও যে অনেক কিছুই করা সম্ভব সেটির উদহারণ জিয়া। তবে ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে জিয়া যেসব ঠাÐা মাথার খুন পরিচালনা করেছে সেগুলো জাতির সামনে আজও প্রকাশ পায়নি। মিলিটারি ইস্টাবিøশমেন্ট হয়তো এটি চাচ্ছে না। শত শত আর্মি অফিসারের লাশ কোথায় কেউ জানে না।
একুশ আগস্ট তারেক রহমান সরাসরি গিয়ে গ্রেনেড মেরেছিলো এটি আমি বলছি না। তবে তারেক রহমান ঘটনা জানতো, সব কিছুর এন্তেজাম করেছিলো এবং একুশে আগস্টের মিশন সফল হলে তারেক রহমান হতো সবচেয়ে বেশি বেনিফিশিয়ারি। আজকে ভিন্ন বাংলাদেশ থাকতো। ৭৫-এর মতো রাজনীতিতে আরেকটি ভ্যাকুয়াম তৈরি হতো। একুশ আগস্ট সফল না হওয়াতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছিলো শিবির। জজ মিয়া নাটককে ছাত্রদলের কেউ তেমন বিশ্বাস করতো না, কেউ ডিফেন্ডও করতো না। অথচ শিবিরের কর্মী-সমর্থকেরা জজ মিয়া নাটক মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতো।
শুধু একুশ আগস্টই নয়, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের উপর যে পৈশাচিক, নারকীয় তাÐব চলতো তার বিরুদ্ধে অনেক নন-আওয়ামী লীগার, বাম সেসময়ে আওয়ামী লীগের পাশে দাঁড়িয়েছিলো। ঘটনাচক্রে গত দশ বছরে তাদের অনেকেই বর্তমান সরকারের পুলিশ, ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত, নিগ্রহের শিকার হয়েছে। এটিই পলিটিক্যাল প্যারাডক্স। ৭৫ পূর্ববর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর পাশের অনেকেই তার নিরাপত্তা নিয়ে বিচলিত ছিলেন না। যেটি অনেক বাম রাজনৈতিকদের মধ্যে ছিলো। বর্তমানে শেখ হাসিনার চারপাশে আওয়ামী লীগের যে বলয় আছে তারাও শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে ততোটা বিচলিত না। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]