অভ্যুত্থান বন্ধ করো লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে ব্রিটেন জুড়ে লাখো মানুষের বিক্ষোভ, স্লোগান ১৫ লাখ পিটিশন স্বাক্ষর

আমাদের নতুন সময় : 30/08/2019

LONDON, ENGLAND – AUGUST 28: Pro-EU supporters protest outside the Houses of Parliament on August 28, 2019 in London, England. British Prime Minister Boris Johnson has written to Cabinet colleagues telling them that his government has requested the Queen suspend parliament for longer than the usual conference season. Parliament will return for a new session with a Queen’s Speech on 14 October 2019. Some Remain supporting MPs believe this move to be a ploy to hinder legislation preventing a No Deal Brexit. (Photo by Peter Summers/Getty Images)

লিহান লিমা : ব্রেক্সিটের পূর্বে মোট পাঁচ সপ্তাহ পার্লামেন্ট স্থগিত করায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে ব্রিটেনজুড়ে চলছে তীব্র বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। বরিসের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনী চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব ওঠার কথা রয়েছে। বিবিসি, সিএনএন, গার্ডিয়ান।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সরকারি ওয়েবসাইটে পার্লামেন্ট স্থগিত করার বিরুদ্ধে পিটিশন স্বাক্ষর ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী পিটিশনে ১০ হাজারের বেশি স্বাক্ষর পড়লে সরকারকে এর উত্তর দিতে হয় এবং ১০ লাখের বেশি স্বাক্ষর জমা পড়লে পার্লামেন্ট এটি নিয়ে বিতর্ক করার বিষয়টি বিবেচনা করে।
পিটিশনে স্বাক্ষর করা ছাড়াও লন্ডন, ম্যানচেস্টার, এডিনবরা ও অন্যান্য শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। বিক্ষোভকারীরা শুরুতে পার্লামেন্ট ভবনের বাহিরে জড়ো হন, যা পরে ডাউনিং স্ট্রিট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে হাজারো বিক্ষোভকারী ওয়েস্টমিনিস্টারে পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তারা ব্রেক্সিট-বিরোধী প্ল্যাকার্ড ও ইউরোপিয় ইউনিয়নের পতাকা হাতে নিয়ে স্লোগান দেন ‘অভ্যুত্থান বন্ধ কর’।
বৃহস্পতিবার ইউগভ এর সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক ৪৭ শতাংশ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্থগিত করাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মনে করছেন। মাত্র ২৭ শতাংশ বলেছেন এটি ‘গ্রহণযোগ্য’ এবং ২৬ শতাংশ বলেছেন তারা নিশ্চিত নন।
বুধবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অনুরোধে রানি এলিজাবেথ ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত করেন। এরফলে ৩ সেপ্টেম্বর গ্রীষ্মের ছুটি শেষে পার্লামেন্ট খুলেই এটি আবার ৯ সেপ্টেম্বর বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট আটকে দেয়ার জন্য এমপিদের হাতে সময় থাকবে খুবই কম। বিরোধী দল ও ব্রেক্সিট বিরোধীরা এটিকে ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে মন্তব্য করছেন।
এদিকে বরিস চুক্তি হোক বা না হোক ৩১ অক্টোবরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্রিটেনকে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনতে চাইছেন। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]