• প্রচ্ছদ » নগর মহানগর » মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করতেই প্রতিক্রিয়াশীলরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে, বললেন কৃষিমন্ত্রী


মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করতেই প্রতিক্রিয়াশীলরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে, বললেন কৃষিমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 31/08/2019


সমীরণ রায় : আওয়ামী লীগের সভাপতি ম-লীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ৭১’র পরাজিত শক্তি দেশকে পাকিস্তান রাষ্ট্রের আদলে পরিচালনা করার জন্য ১৫ আগস্টের হত্যাকা- ঘটায়। এটা কোনো সাধারণ হত্যাকা- নয়। এটা সুপরিকল্পিত হত্যাকা-ের পর জাতীয় চার নেতাকেও ৩ নভেম্বর জেলখানায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে ঘাতকরা। ৭৫’র হত্যাকা-ের পর্দার আড়ালে নেপথ্যে যারা ছিলো সময় এসেছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নি:শেষ করে একটি ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্র বানানোর জন্য তাঁকে হত্যা করা হয়। কিন্তু যখন ঘাতকরা বুঝতে পারলো বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শের মৃত্যু নেই। চিরতরে নি:শেষ করার জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হমলা চালায় শেখ হাসিনাসহ গোটা
আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য। নেত্রীকে এ পর্যন্ত ২২বার হত্যা চেষ্টা করেছে প্রতিক্রিয়াশীলরা।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেটের খামার বাড়ির আ.ক.মু গিয়াসউদ্দিন মিলকি অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন ।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর হত্যার আগে ও পরে হত্যাকারী কর্নেল ফারুক-রশিদ বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে তার কাছে গেলে জিয়া বলেন তোমরা করো, আমি সিনিয়র অফিসার হিসেবে সামনা-সামনি থাকতে পারিনা। আবার বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর সেনাবাহিনী অফিসাররা জিয়ার কাছে গেলে তিনি তাদের বলেন, সো হোয়াট! ভাইস প্রেসিডেন্ট ইজ দেয়ার। সেনাবাহীনির একটি অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে সেনাদের কোনো হত্যার পরিকল্পনা যখন কেউ অবগত হন সেটি দ্রুত রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা। সেটি তিনি করেননি। এমনকি যারা এ অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এতেই প্রমাণিত হয় জিয়া বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-ের কুশীলব। তিনি খুিনদেরকে সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। তাদের পুরস্কৃত করেছেন, ভালো চাকরি দিয়েছেন, বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ইন্ডিমেনিটি অধ্যাদেশ সংসদে পাশ করিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের বিচারের পথ রুদ্ধ করেছেন।
সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি রাশেদ খান, বিসিএস (কৃষি) পরিষদের মহাসচিব মোজাম্মেল হোসেন, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনরে মহাসচিব খায়রুল আলম প্রিন্স, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদ প্রমুখ। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]