ব্রেক্সিট ভোটে হেরে গেলেন বরিস, যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যত অনিশ্চিত

আমাদের নতুন সময় : 05/09/2019


আসিফুজ্জামান পৃথিল : ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বড় ধরণের বিপর্যয়ের মুখে পরেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। মঙ্গলবার রাতে ব্রেক্সিট ঠেকাতে বিরোধীদলগুলোর আনা বিল ৩২৮-৩০১ ভোটের ব্যবধানে পাশ হয়ে যায়। অবশ্য মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেই পার্লােেমন্টের কার্যকরী সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিলো বরিস সরকার। এই বিল পাশের পর যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যত সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে আটকে দিয়েছে পার্লামেন্ট। ব্রেক্সিট কী ফরম্যাটে হবে, তা নির্ধারণের কোনো ক্ষমতাই আর সরকারের রইলো না। বিরোধী এমপিরা ঠিক করবেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসা না আসার গতিপথ। গার্ডিয়ান, ডেইলি মেইল, বিবিসি।
তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট না হলে আগাম নির্বাচন দেয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। সে হিসেবে ১৪ বা ১৫ অক্টোবর দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে এমপিদের হাতে এই নির্বাচন আটকে দেয়ার ক্ষমতা থাকছে। তবে বরিস ২১ জন বিদ্রোহী এমপিকে বরখাস্থ করায়, পরিস্থিতি আরো ঘোরালো হয়ে গেছে। এখন বুধবারের অধিবেশনের উপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। তবে মঙ্গলবারের অধিবেশনে এই স্পষ্ট হয়ে গেছে বরিস নিজের দল ও মন্ত্রিসভাতেই কার্যত একঘরে হয়ে পরেছেন। এই বিল পাশের পর পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বরিস জনসন বলেছেন, এই বিলের ফলে ব্রেক্সিটের নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাতে। ফলে তৈরী হবে আরো অনিশ্চয়তা, হবে আরো দেরি, তৈরী হবে আরো বেশি বিশৃঙ্খলা। তিনি বলেন এমপিদের হাতে এখন অক্টোবরের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। জনগনকেই এখন নিজেদের ভাগ্য বেছে নিতে হবে।
বিবিসি খোঁজ নিয়ে জেনেছে ব্রাসেলস এর ইইউ সম্মেলনের মাত্র ২ দিন আগে ১৫ অক্টোবর নির্বাচন দিয়ে দিতে পারে সরকার। সদ্য নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে তারা ব্রেক্সিট বিষয়ক কোনো ধরণের পরিকল্পনারই সুযোগ পাবে না। তবে লেবার পার্টি জানিয়ে রেখেছে, তারা ব্রেক্সিট চুক্তি নিশ্চিতকরণ ছাড়া আগাম নির্বাচনের পক্ষে সমর্থন দেবেন না।
এদিকে ছায়া ব্রেক্সিট মন্ত্রী কিয়ার স্টারমের বিবিসি রেডিও ফোরকে বলেন, ‘লেবার পার্টি একটি সাধারণ নির্বাচন চায়, তবে অবশ্যই তা বরিস জনসনের শর্তে নয়।’ যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের স্থায়ী আইন অনুযায়ী কোনো প্রধানমন্ত্রী আগাম নির্বাচন দিতে চাইলে তাকে ৬৫০ আসনের পার্লামেন্টের দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন অবশ্যই দেখাতে হবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]