• প্রচ্ছদ » » ঢাকা শহরের মোবাইল কোর্টের অভিযান চালাতে গিয়ে মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হচ্ছে আমাদের


ঢাকা শহরের মোবাইল কোর্টের অভিযান চালাতে গিয়ে মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হচ্ছে আমাদের

আমাদের নতুন সময় : 08/09/2019

মাহবুব কবির মিলন

ঢাকা শহরের আধুনিক ক্যাফে/বার্গার/পিজ্জা শপগুলোতে মোবাইল কোর্টের অভিযান চালাতে গিয়ে মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হচ্ছে আমাদের। বিশেষ করে ধানমন্ডি, গুলাশান, বনানী উত্তরা এলাকায়। মিরপুর মোহাম্মাদপুরেও তাই। আমাদের আইনে জরিমানা অনেক। মামলার শাস্তিও জটিল। অজামিনযোগ্য অপরাধ। সামান্য অনিয়ম বা ত্রæটির জন্য তিন-চার লাখ টাকা জরিমানা সর্বনি¤œ। দেখা যাচ্ছে বর্তমানে এসব ক্যাফে চালাচ্ছেন লেখাপড়া জানা বা শেষ করা ইয়াং ছেলেরা। বিদেশ থেকেও এসে এ ব্যবসায় হাল ধরছেন। এখনো অনেকে পড়াশোনা শেষ করেননি। যারা এটাকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। ভালো লক্ষণ। কিন্তু জরিমানা গুনতে গিয়ে তাদের মানসিক অসহায়ত্ব দেখে বিব্রত হতে হচ্ছে আমাদের। আমরাও মানসিক কষ্ট পাচ্ছি। সামান্য সচেতন হলেই এই মানবিক বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। কিচেন পরিষ্কার রাখুন। একই ফ্রিজে কাঁচা এবং রান্না খাবার রাখবেন না। ফ্রিজ আলাদা করে ট্যাগ লাগিয়ে রাখুন। এক দিনের মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবারও রাখবেন না। ফ্রিজে রান্না খাবার খোলা অবস্থায় রাখবেন না। কাঁচা মাংস ভালো করে আলাদা প্যাকে রাখুন। মুরগি, খাসি, গরুর মাংস এমনভাবে রাখবেন যাতে একের রক্ত অপরের গায়ে না লাগে।
ক্রস কন্টামিনেশন হয় এমন কিছু কঠিনভাবে এড়িয়ে চলুন। আপনি বা আপনার পরিবার যা খাবে না, তা অন্যকে দেয়া থেকে বিরত থাকুন। কয়েকদিন আগে এক ক্যাফেতে/রেস্তোরাঁয় একই ফ্রিজে কাঁচা মাংসের সঙ্গে এক প্লেটে খোলা চিজের টুকরো পাওয়া গিয়েছিলো। দেখতে সামান্য হলেও এর জরিমানা তিন লাখ টাকা। আমরা কাউকে শাস্তি বা বিব্রত করতে চাই না। প্লিজ সবাই সচেতন হোন। আমরা চাই আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট হাসিমুখে স্থাপনা থেকে বেরিয়ে আসুক।একটা জিনিস স্পষ্ট যে, এখন সব খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁ/ক্যাফে/চেইন শপ কোনো না কোনোভাবে ফলো করে আমাকে। জরিমানা দেয়ার পরে দুনিয়ার তদবিরও আসে আমার কাছেই। অসংখ্য কাজের মাঝে এ এক বিব্রতকর অবস্থা। এরপর আমার আর করার কিছুই থাকে না, অসহায় হওয়া ছাড়া। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের দ্বার খোলা। যেকোনো পরামর্শের জন্য আসুন আমাদের কাছে। সব সাহায্যই করা হবে এবং হচ্ছে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু নো-কম্প্রোমাইজ। হয় সঠিক পথে আসবেন, নয় ব্যবসা ছেড়ে দেবেন। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]