• প্রচ্ছদ » আমাদের বিশ্ব » ব্রেক্সিট বিলম্ব কার্যকর করতে অস্বীকৃতি জানালে কারাগারে যেতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস, আদালতে যাবেন টোরি এমপিরা


ব্রেক্সিট বিলম্ব কার্যকর করতে অস্বীকৃতি জানালে কারাগারে যেতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস, আদালতে যাবেন টোরি এমপিরা

আমাদের নতুন সময় : 08/09/2019


লিহান লিমা : ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব লর্ডসে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বন্ধের বিল পাশ হওয়ার পরও ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ব্রেক্সিট কার্যকরের সিদ্ধান্তে অটল প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বরিস ব্রেক্সিট বিলম্বের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নিতে আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন টোরি দলের বহিস্কৃত এমপিরাসহ বিরোধী অন্যান্য দলের এমপিরা। ব্রিটেনের সাবেক ডিরেক্টকর অব পাবলিক প্রসিকিউশন লর্ড ম্যাকডোনাল্ড বলেছেন, ব্রেক্সিট বিলম্ব করতে অস্বীকৃতি জানালে কারাগারে যেতে পারেন বরিস। বিবিসি, ডেইলি মেইল।
লর্ড ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘সোমবারই চুক্তি-বিহীন ব্রেক্সিট বিরোধী বিল আইনে পরিণত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ব্রেক্সিটের জন্য আবার সময়সীমা চাইবেন না। কিন্তু এমনটি করলে তাকে জেলে যেতে হতে পারে।’ সাবেক টোরি এমপি ডোমিনিক গ্রেভ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কখনোই আইন অমান্য করতে পারেন না।’ শুক্রবার রাতে ক্ষমতাসীন টোরি সদস্যদের কাছে লিখিত চিঠিতে বরিস জনসন বলেছেন, ‘তারা আমাকে ব্রেক্সিটের সময় বাড়ানোর জন্য ব্রাসেলসের কাছে ভিক্ষা চাইতে বাধ্য করছে, যা আমি কখনোই করবো না।’ জ্যেষ্ঠ টোরি নেতা ডানকান স্মিথকে তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে ‘ব্রেক্সিট শহীদ’ হবেন তিনি। অর্থাৎ পার্লামেন্টে পাশকৃত আইন লঙ্ঘন করে তিনি সম্ভাব্য কারাদ-ের ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দ্য টেলিগ্রাফ বলেছে, ‘কোন আইন অমান্য করা অবশ্যম্ভাবী ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনবে।’
শুক্রবার লর্ডসে পাশ হওয়া এই ক্রস-পার্টি বিলে বলা হয়, যদি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৯ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট চুক্তিতে ঐক্যমতে আসতে না পারে তবে প্রধানমন্ত্রীকে ৩১অক্টোবরের পরিবর্তে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াতে ইউরোপের কাছে সময় চাইতে হবে। সোমবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এই বিলে স্বাক্ষর করলে এটি আইনে পরিণত হবে। কিন্তুবরিস বলছেন, ‘ইইউ’র কাছে ব্রেক্সিট বিলম্ব করার সময় চাওয়ার পূর্বে খাদে পড়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।’ ব্রেক্সিটের এই চলমান অচলাবস্থা কাটাতে বরিস ১৫ অক্টোবর আগাম সাধারণ নির্বাচন দিতে চাইছেন। এক্ষেত্রে পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে। তবে লেবার দলসহ অন্যান্য বিরোধী দল এবং টোরি দলের বিদ্রোহী জ্যেষ্ঠ এমপিরা এটি আটকে দিয়েছেন। লেবার নেতা জেরেমি করবিন বলেন, ‘৩১ অক্টোবরের মধ্যে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট হবে না এটি নিশ্চিত হলেই লেবার দল সাধারণ নির্বাচনের পক্ষে যাবে। আমাদের আগে এটি নিশ্চিত হতে হবে, প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টের নিয়ম মেনে চলছেন।’ সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]