• প্রচ্ছদ » » চন্দ্রযান একবার পাঠাতে না পারলে পরেরবার পারবেই, কারণ ভারত শত দুর্নীতি বুকে নিয়েও গুণীদের কদর করতে জানে


চন্দ্রযান একবার পাঠাতে না পারলে পরেরবার পারবেই, কারণ ভারত শত দুর্নীতি বুকে নিয়েও গুণীদের কদর করতে জানে

আমাদের নতুন সময় : 09/09/2019

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি : যেসব বাংলাদেশি ভারতের চন্দ্রযান-২ সফল না হওয়ায় উচ্ছ্বসিত তাদের জন্য করুণা হচ্ছে। ভারতের চন্দ্রযান একবার পাঠাতে না পারলে পরেরবার পারবে। কিন্তু পারবেই। কারণ ভারত শত করাপশন বুকে নিয়েও গুণীর কদর করতে জানে। ভারতের বুকে একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এপিজে আবদুল কালাম, যিনি হিন্দু না মুসলিম ভারতীয়দের কাছে তা বিবেচিত হয়নি। হইছিল তিনি গুণী মানুষ। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান গবেষণায় নিয়োজিত ছিলেন। জানায়ে রাখি… ভারতের মেগা সমস্ত প্রজেক্ট টেন্ডার করে বিদেশি কোম্পানিদের দেওয়া হয় নাই, দেওয়া হইছিলো টাটা, বিরলা, মাহিন্দ্রাসহ সব ভারতীয় কোম্পানিকে। ভারতে বিদেশি যেসব কোম্পানি টেলিকম ব্যবসা করতে গেছে খবর নিয়ে দেখেন ওদের সরকারের শর্ত ছিলো সেইসব টেলিকম কোম্পানি যেন নির্দিষ্ট এলাকায় ইউনিভার্সিটি বানিয়ে দেয়। আরও শর্ত ছিলো ওইসব ইউনিভার্সিটিতে যারা পড়বে তারা কাজ করবে ওইসব টেলিকম কোম্পানিতে। অন্যদিকে বাংলাদেশে পেপাল আসতে পারে নাই, গুগল অফিস করতে চাইছিল (এরপর সম্ভবত বাংলাদেশ সরকারের উদ্ভট শর্তে কুলায় নাই তাদের)। অন্য যারা টেলিকম ব্যবসা করে তারা কি কি শর্তে এদেশে ব্যবসা করছে তা জেনে নেবেন।
আরও জেনে আনন্দিত হবেন… কয়দিন আগেই বাংলাদেশ সরকারের নির্লজ্জ একদল সচিব আমলার প্রতিনিধিদল আমেরিকায় নাসার প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের রেখে নিজেরাই ঘুরে এসেছে নাসা থেকে! এই নির্লজ্জ দলের লোকেরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়ায় যেদেশে সেইদেশের আগামী একশ বছরেও চাঁদে যাওয়া লাগবে না। তারা কেন ভারতকে দেখে হাসবে? পদ্মাসেতু নিয়ে বাংলাদেশ যে এতো গর্ব করছে, পদ্মাসেতু বানাচ্ছে বাংলাদেশি কোন কোম্পানি? জিজ্ঞেস করেন। বাংলাদেশের কয়জন বিজ্ঞানী বাংলাদেশে কাজ করেন? আমি জানায়ে রাখি আমার নিজের মেজভাই অস্ট্রেলিয়ার যে গবেষণাগারে কাজ করতো তারা কয় বছর আগে নোবেল প্রাইজ পেয়েছে, সেই সংস্থা নিউক্লিয়ার ওয়েপন ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করে। এইটা অস্ট্রেলিয়া সরকারের গর্ব, বাংলাদেশের নয়। কারণ তারা দেশের মানুষ দেশে রাখতে পারে নাই।
তিন-চার বছর আগে দেখেছি ভারত তাদের বিজ্ঞানীদের দেশের বাইরে থেকে ফিরিয়ে আনা শুরু করেছিলো ঠিক একইরকম স্যালারি দিয়ে। বিদেশ থেকে প্রতিবছর যারা গড়ে পাঁচশ করে বিজ্ঞানী ফেরত এনেছে তারা সফল হবেই… এইটা লিখে দিতে রকেট সায়েন্স পড়ার দরকার নাই। প্রিয় বাংলাদেশি ভাইবোন, আপনারা নিজেদের দিকে তাকান। দুনিয়ার সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে থেকে, সবচেয়ে দূষিত নগরে থেকে, সবচেয়ে বেশি ভেজাল খাবার খেয়ে, সবচেয়ে নির্লজ্জতা দেখানোর দরকার নাই। নিজের প্লেট খালি দেখে অন্যের খাবার পড়ে যাওয়ায় আনন্দ পাওয়ার চেয়ে নিজে রান্না করতে শেখা জরুরি। বুঝলেন? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]