• প্রচ্ছদ » » রোহিঙ্গাদের ‘অপকর্ম’ বনাম যৌনব্যবসার খদ্দের


রোহিঙ্গাদের ‘অপকর্ম’ বনাম যৌনব্যবসার খদ্দের

আমাদের নতুন সময় : 09/09/2019

হারুন উর রশীদ : বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা যেসব অপরাধ ও অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ, তার মধ্যে অন্যতম হলো : ১. মাদক, বিশেষ করে ইয়াবার কারবার। ২. অবৈধভাবে বাংলাদেশি এনআইডি ও পাসপোর্ট নেয়া। ৩. যৌন ব্যবসা। ৪. মানব পাচার। ৫. নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত, হত্যাকা-, ডাকাতি। ৬. মোবাইল ফোন ব্যবহার করা। আসলে এসব অপরাধের মূল হোতা কারা?
১. মাদক ও ইয়াবার ক্যারিয়ার রোহিঙ্গারা। তাদের ব্যবহার করে কক্সবাজারের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা। বিশাল অট্টালিকা আর রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী ওই মাদক ব্যবসায়ীদের আপনি চেনেন না? ২. রোহিঙ্গারা এনআইডি এবং পাসপোর্ট পায় দালালচক্রের মাধ্যমে। এজন্য গড়ে এক লাখ টাকা করে দিতে হয় দালালদের। ওই দালালরা কোন দেশের? নিশ্চয়ই বাংলাদেশের। তারা এনআইডি, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট নিশ্চয়ই নিজেরা তৈরি করে না। উগান্ডা থেকেও কেউ এসে করে দিয়ে যায় না। যারা করেন তারা তো আমাদেরই ভাই ব্রাদার। ৩. রোহিঙ্গা নারীদের একটি অংশ যৌন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। প্রশ্ন হলো তাদের খদ্দের কোন দেশের? আর যৌন ব্যবসার মূল নিয়ন্ত্রক কারা? খোঁজ নিয়ে দেখেন, কক্সবাজারের সবাই তাদের চেনেন। ৪. কক্সবাজারে মানব পাচার সিন্ডিকেট নিয়ে কি নতুন কিছু বলার আছে? সেসব প্রভাবশালী বাংলাদেশি মানব পাচারকারী কি আইনের আওতায় এসেছে? রোহিঙ্গারা এখানে বসে মানব পাচার করে? না বাংলাদেশি মানব পাচারকারীদের সহযোগী হিসেবে কাজ করে?
৫. দুই বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজেদের দ্বন্দ্বে ৪৩ জন নিহত হয়েছে। সেখানে একাধিক ডাকাত গ্যাং গড়ে উঠেছে। কিন্তু প্রশ্ন রোহিঙ্গাদের নানা গ্রুপ ও গ্যাংয়ের নেপথ্যে কারা? কারা তাদের কাছে থেকে ভাগ পায়? আর কারাইবা ক্যাম্প এলাকায় নানা টেন্ডার ও ব্যবসার জন্য রোহিঙ্গাদের মধ্যে নানা সন্ত্রাসী গ্রুপ তৈরি করে তাদের কাজে লাগায়? ৬. রোহিঙ্গাদের নামে কোনো মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন নেই। সবই বাংলাদেশিদের নামে। কারণ সিম নিতে এনআইডি লাগে। একটি এনআইডির বিপরীতে ১৫টি সিম পায় বাংলাদেশি নাগরিকরা। তাহলে বুঝতে পারছেন কারা টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের মোবাইল ফোনের সিম দেয়। আর মোবাইল ফোন অপারেটররা যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিমের মেলা বসায়, তার দায়ও কি রোহিঙ্গাদের। ওরা শরণার্থী তাই ওদের উপর দায় চাপানো সহজ। কিন্তু মূল অপরাধীদের কি ধরা হবে? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]