চাঁদের পিঠে বিক্রম অক্ষত থাকলেও বাধার কারণে সিগন্যাল পাচ্ছে না, দাবি ইসরোর

আমাদের নতুন সময় : 10/09/2019

রাশিদ রিয়াজ : চাঁদের যে অংশে ভারতের চন্দ্রযান-২এর ল্যান্ডার বিক্রম নেমেছে, তা সফ্ট ল্যান্ডিংয়ের পক্ষে যথেষ্ট সুবিধাজনক নয়। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের ধারণা সেখানে এমন কিছু বাধা রয়েছে, যার ফলে ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। এনডিটিভি/টাইমস অব ইন্ডিয়া।
গত শনিবার চন্দ্রপৃষ্ঠের ২.১ কিলোমিটার দূরত্বে চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার অংশ বিক্রমের সঙ্গে গ্রাউন্ড স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চন্দ্র্রযান-১ প্রকল্পের ডিরেক্টর মাইলস্বামী আন্নাদুরাই জানান, ল্যান্ডারের দিকে নিশানা করে সিগন্যাল পাঠিয়েছে অর্বিটার। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ল্যান্ডার আদৌ সেই সিগন্যাল ধরতে পারে কি না, তা দেখতে হবে। অর্বিটার ও ল্যান্ডারের মধ্যে বরাবরই পারস্পরিক বার্তা বিনিময়ের ব্যবস্থা থাকে। এক্ষেত্রে আমাদের শুধু একপিঠের বার্তার উপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হলেও তার মেয়াদ ৫-১০ মিনিটের বেশি হবে না বলে জানিয়েছেন অধিকর্তা। ইসরোর বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে প্রচ- পরিশ্রম করছেন বলেও তিনি জানান।
অন্যদিকে ইসরো চেয়ারম্যান কে সিবন জানান যে, বিক্রমের সন্ধান পেতে সফল হয়েছে চন্দ্রযান-২ এর অর্বিটার। চাঁদের পিঠে নামা ল্যান্ডারের একটি ‘থার্মাল ইমেজ’ও তুলতে সক্ষম হয় অর্বিটার। চাঁদের বুকে হার্ড ল্যান্ডিংএ বিক্রম ঝাঁকুনির ফলে টুকরো টুকরো হয়ে যায়নি। তবে বিক্রমের প্রতিটা অংশ যদি সঠিক ভাবে কাজ করে এবং অ্যান্টেনা গ্রাউন্ড স্টেশন বা অরবিটারের দিকে মুখ করে থাকে, তাহলেই ফের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব।
বিজ্ঞানীরা আরো জানান, চাঁদের বুকে অক্ষত থাকলেও বিক্রম বেঁকে ‘সিঙ্গল পিস’ হিসাবে পড়ে রয়েছে। তার জন্যই সংযোগ ঘটানো যাচ্ছে না। ঠিক কী ঘটেছিল ল্যান্ডিংয়ের সময়ে, জানা যাবে হাতে পাওয়া তথ্যচিত্র বিশ্লেষণ করে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]