• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » বীমার অবৈধ কমিশন বাণিজ্য বন্ধে কঠোর পর্যবেক্ষণের পরামর্শ নজরদারিতে শিগগির মাঠে নামছে বিশেষ দল


বীমার অবৈধ কমিশন বাণিজ্য বন্ধে কঠোর পর্যবেক্ষণের পরামর্শ নজরদারিতে শিগগির মাঠে নামছে বিশেষ দল

আমাদের নতুন সময় : 15/09/2019

 

মেরাজ মেভিজ : অদৃশ্য এজেন্টেই চলছে বীমা কোম্পানিগুলোর বাণিজ্য। বারবার সতর্ক করেও ফল না পাওয়ায়, এবার আর শুধু প্রধান কার্যালয় নয়, দেশজুড়ে মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধানে নামছে বিশেষ দল। ঢাকা-ঢোল পিটিয়ে মাঝে মাঝে এমন দল না নামিয়ে, এ খাতে নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পর্যবেক্ষক শাখা জরুরী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে বীমা খাতের সার্বিক স্বচ্ছতার লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে (আইডিআরএ) দক্ষ জনবল নিয়োগে আরও কঠোর হবার পরামর্শ তাদের।
বছর দুয়েক ধরে চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও কোনভাবেই আইন মানানো যাচ্ছে না নন-লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোকে। এবার তাই চলতি বছরের জুলাই ৩১ এর পর থেকে ১৫ শতাংশ এজেন্ট কমিশনের ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি দেয় আইডিআরএ। কিন্তু এরপরও নিয়মিত অভিযোগ আসছে এজেন্ট কমিশন আইন না মানার।
বিভিন্ন কেস স্টাডি করে দেখা যায়, গত মাসেও এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি অভিযোগ এসেছে বাংলাদেশ ইনসুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনে (বিআইএ)। যার বেশীরভাগই তারা নিজেরাই দুই পক্ষকে ডেকে হুশিয়ারি ও আপোসে রফা করেছেন। এমন অন্তত দুটি কেস সমাধানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিআইএ চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন।
এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, নির্দেশ জারির (কার্যকর: ১ আগস্ট) পর দেড় মাসের মতো হয়েছে। বীমা কোম্পানিগুলো এজেন্ট কমিশনের ব্যাপারে সতর্ক হলেও সবাই মানছেন তা বলা যাচ্ছে না। কারণ গতমাসেও বেশ কয়েকটি এ সংক্রান্ত অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। এর মধ্যে দুটি আমরা সমাধান করে তাদের সতর্ক করে দিয়েছি।
এদিকে এমন অভিযোগে এবার তদন্তে নামছে আইডিআরএও। এজেন্ট কমিশনের আইনটি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে গঠিত হচ্ছে একটি বিশেষ পর্যবেক্ষক দল। যারা এবার দেশজুড়ে সরেজমিনে বিভিন্ন বীমা কোম্পানিগুলোর অবস্থা দেখে এসে আইডিআরএকে জানাবেন। আইডিআরএ সূত্রে জানা যায়, সার্ভিলেন্স (নজরদারি) কমিটি’র আহবায়ক এর দায়িত্ব পাওয়া ড. শেখ রেজাউল ইসলাম (নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ) তাদের কর্মপন্থা ঠিক করতে গত বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেন। শিগগিরই দায়িত্ব বন্টনের মধ্য দিয়ে মাঠ পর্যায়ে নামবে বিভিন্ন দল।
তবে নজরদারির চেয়ে পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ দিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে ঢাকা-ঢোল পিটিয়ে সার্ভিলেন্স করার চেয়ে মনিটরিংয়ের (পর্যবেক্ষণ) এর পরামর্শ এসেছে। তাদের যুক্তি, কোন কোম্পানির কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপের চেয়ে অভিযোগগুলো আইডিআরএ কে জানানো হলে তাদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া গেলে ভালো হবে।
অন্যদিকে বিআইএ সভাপতি আইন অমান্যে বীমা কোম্পানিগুলোকে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ও আরও কঠোর হবার পরামর্শ দিয়েছেন আইডিআরএকে। তার ভাষ্য, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি। তবে আমাদের কিছু কিছু বিষয়ে আরও কঠোর হতে হবে। হয়তো এজেন্ট বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তাছাড়া এ খাতের সার্বিক সচ্ছতা আনতে হলে এ সম্পর্কে জ্ঞান রয়েছে এমন অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ প্রয়োজন। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]