• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » রাজস্ব ভবনের ছাদের পলেসস্তরা খসে পড়ছে গণপূর্তের অনুরোধ ফলস সিলিং খুলে ফেলুন বিশ্বজিৎ দত্ত : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব আবুল কালাম আজাদের কক্ষের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ে কয়েকবার। এসময়ে তিনি রুমে ছিলেন না। কিছুক্ষণের জন্য উপরে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার রুমে গিয়েছিলেন। এসে দেখেন ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। তাৎক্ষণিক রুমটিতে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। ছুটে আসেন গণপূর্তের সেগুন বাগিচা এলাকার দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। তিনি এসে বলেন, রাজস্ব বোর্ডের পুরো ভবনটিই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা উচিৎ। তার মতে একটি বিল্ডিংয়ের মেয়াদ থাকে সাধারণত ৫০ বছর। ১৯৫৭ সালে রাজস্ব বোর্ডের ভবনটি তৈরী করা হয়েছে। এরমধ্যেই বিল্ংিটির বয়স ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। এটি এখন ব্যবহারের অনুপযুক্ত। তবু পরীক্ষা করলেন ভবনটি। দেখলেন বিল্ডিংয়ের ভেতরের রড মোটা হয়ে গেছে। এ কারণে সিমেন্ট ও বালু আলগা হয়ে গেছে। তিনি কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছেন, যেসব কক্ষে ফলস সিলিং আছে সেগুলো খুলে ফেলার জন্য। ছাদে যদি ফাটল দেখা দেয় তবে ফলস সিলিংয়ের জন্য দেখা যাবে না। তাই রুমে এসেই যাতে কর্মকর্তারা একবার ছাদ দেখেন। যেকোন সময় যেকোন স্থানের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়তে পারে। এরমধ্যেই ভবনের ৪ তলায় প্রথম সচিব সফিকুর রহমানের বারান্দায় ফাটল দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সফিকুর রহমান বলেন, নিজস্ব রাজস্ব ভবনের কাজ চলছে আগারগাঁওয়ে। বিল্ডিংটি হয়ে গেলেই ওখানে রাজস্ব কর্মকর্তারা চলে যাবেন। কিন্তু এখনতো অস্বস্তিতে আছি। কখন পলেস্তরা ধসে পড়ে। রাজস্ব ভবনের সবগুলো রুম ডেমেজ হয়ে গেছে। শুধু মাত্র অফিশিয়ালি ডিক্লারেশন বাতিল আছে।


রাজস্ব ভবনের ছাদের পলেসস্তরা খসে পড়ছে গণপূর্তের অনুরোধ ফলস সিলিং খুলে ফেলুন বিশ্বজিৎ দত্ত : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব আবুল কালাম আজাদের কক্ষের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ে কয়েকবার। এসময়ে তিনি রুমে ছিলেন না। কিছুক্ষণের জন্য উপরে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার রুমে গিয়েছিলেন। এসে দেখেন ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। তাৎক্ষণিক রুমটিতে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। ছুটে আসেন গণপূর্তের সেগুন বাগিচা এলাকার দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। তিনি এসে বলেন, রাজস্ব বোর্ডের পুরো ভবনটিই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা উচিৎ। তার মতে একটি বিল্ডিংয়ের মেয়াদ থাকে সাধারণত ৫০ বছর। ১৯৫৭ সালে রাজস্ব বোর্ডের ভবনটি তৈরী করা হয়েছে। এরমধ্যেই বিল্ংিটির বয়স ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। এটি এখন ব্যবহারের অনুপযুক্ত। তবু পরীক্ষা করলেন ভবনটি। দেখলেন বিল্ডিংয়ের ভেতরের রড মোটা হয়ে গেছে। এ কারণে সিমেন্ট ও বালু আলগা হয়ে গেছে। তিনি কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছেন, যেসব কক্ষে ফলস সিলিং আছে সেগুলো খুলে ফেলার জন্য। ছাদে যদি ফাটল দেখা দেয় তবে ফলস সিলিংয়ের জন্য দেখা যাবে না। তাই রুমে এসেই যাতে কর্মকর্তারা একবার ছাদ দেখেন। যেকোন সময় যেকোন স্থানের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়তে পারে। এরমধ্যেই ভবনের ৪ তলায় প্রথম সচিব সফিকুর রহমানের বারান্দায় ফাটল দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সফিকুর রহমান বলেন, নিজস্ব রাজস্ব ভবনের কাজ চলছে আগারগাঁওয়ে। বিল্ডিংটি হয়ে গেলেই ওখানে রাজস্ব কর্মকর্তারা চলে যাবেন। কিন্তু এখনতো অস্বস্তিতে আছি। কখন পলেস্তরা ধসে পড়ে। রাজস্ব ভবনের সবগুলো রুম ডেমেজ হয়ে গেছে। শুধু মাত্র অফিশিয়ালি ডিক্লারেশন বাতিল আছে।

আমাদের নতুন সময় : 15/09/2019

x
বিশ্বজিৎ দত্ত : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব আবুল কালাম আজাদের কক্ষের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ে কয়েকবার। এসময়ে তিনি রুমে ছিলেন না। কিছুক্ষণের জন্য উপরে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার রুমে গিয়েছিলেন। এসে দেখেন ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। তাৎক্ষণিক রুমটিতে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
ছুটে আসেন গণপূর্তের সেগুন বাগিচা এলাকার দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। তিনি এসে বলেন, রাজস্ব বোর্ডের পুরো ভবনটিই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা উচিৎ। তার মতে একটি বিল্ডিংয়ের মেয়াদ থাকে সাধারণত ৫০ বছর। ১৯৫৭ সালে রাজস্ব বোর্ডের ভবনটি তৈরী করা হয়েছে। এরমধ্যেই বিল্ংিটির বয়স ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। এটি এখন ব্যবহারের অনুপযুক্ত। তবু পরীক্ষা করলেন ভবনটি। দেখলেন বিল্ডিংয়ের ভেতরের রড মোটা হয়ে গেছে। এ কারণে সিমেন্ট ও বালু আলগা হয়ে গেছে। তিনি কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছেন, যেসব কক্ষে ফলস সিলিং আছে সেগুলো খুলে ফেলার জন্য। ছাদে যদি ফাটল দেখা দেয় তবে ফলস সিলিংয়ের জন্য দেখা যাবে না। তাই রুমে এসেই যাতে কর্মকর্তারা একবার ছাদ দেখেন। যেকোন সময় যেকোন স্থানের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়তে পারে। এরমধ্যেই ভবনের ৪ তলায় প্রথম সচিব সফিকুর রহমানের বারান্দায় ফাটল দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে সফিকুর রহমান বলেন, নিজস্ব রাজস্ব ভবনের কাজ চলছে আগারগাঁওয়ে। বিল্ডিংটি হয়ে গেলেই ওখানে রাজস্ব কর্মকর্তারা চলে যাবেন। কিন্তু এখনতো অস্বস্তিতে আছি। কখন পলেস্তরা ধসে পড়ে। রাজস্ব ভবনের সবগুলো রুম ডেমেজ হয়ে গেছে। শুধু মাত্র অফিশিয়ালি ডিক্লারেশন বাতিল আছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]