• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » শুষ্ক প্রায় চার নদী পুনরুদ্ধারে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ


শুষ্ক প্রায় চার নদী পুনরুদ্ধারে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ

আমাদের নতুন সময় : 15/09/2019

আনিস তপন : ঢাকা জেলার নাগদা, শেরপুর জেলার ঝিনাই, জামালপুর জেলার বংশী এবং নীলফামারী জেলার ঘাঘট নদী শুষ্ক মৌসুমে প্রায় মৃত অবস্থায় থাকে। বর্ষা মৌসুমে স্বল্প সংখ্যক নৌ-যান চলাচল করে। এ প্রেক্ষিতে চার নদী খনন করে আগের অবস্থায় নিয়ে আসতে কাজ করছে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এ জন্য চার হাজার ২শ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা জেলার পলাশ উপজেলার জলসিন্দুর ইউনিয়নের কাছে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে নাগদা নদীটি উৎপন্ন হয়ে বালু নদীতে মিশেছে। এর দৈর্ঘ্য ২২ কিলোমিটার, প্রস্থ ২৫ মিটার। শেরপুর জেলার ১নং কামারচর ইউনিয়নের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে ঝিনাই নদীটি উৎপন্ন হয়ে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নে এসে ফটিকজানি ও চাপাই নাম ধারণ করে বংশী নদীতে পড়েছে। এর দৈর্ঘ্য ১৪২ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ২০ থেকে ৬০ মিটার। বর্ষাকালে ভরা বর্ষায় কিছুটা ¯্রােত দেখা যায়। জামালপুর জেলার হামিদপুর পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে উৎপন্ন হয় বংশী নামে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ উপজেলা হয়ে ধলেশ্বরী নদীতে পড়েছে। এর দৈর্ঘ্য ২৬০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৫ থেকে সর্বোচ্চ ২শ মিটার। শুষ্ক মৌসুমে এটি প্রায় শুকিয়ে যায় এবং বর্ষার সময়ে নদীতে ¯্রােত দেখা যায়। গাজীপুর জেলার পলাশ উপজেলার সিন্দুর ইউনিয়নের কাছে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে নাগদা নদীর উৎপন্ন হয়ে বালু নদীতে পড়েছে। এর দৈর্ঘ্য ২২ কিলোমিটার, প্রস্থ ৪ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ মিটার।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. ছাইদুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পটি ২০১৯ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্প মেয়াদ ৫ বছরে চার নদীর ৭০৭ কিলোমিটার নদী খনন করা হবে। এর মধ্যে কেপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ৬৭৯ লাখ ঘন মিটার (২ বছর), মেইন্টেনেন্স ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ৩৯৫ লাখ ঘন মিটার (৩ বছর) এবং স্কেভেটর দিয়ে (মরা অংশ) ৬৯৭ লাখ ঘন মিটার মাটি অপসারণ করা হবে। আগামী ৫ বছরে এ চার নদীর পাশের প্রায় ১০ টি জেলার প্রায় ৫ কোটি মানুষ উপকৃত হবে। পাশাপাশি সারা বছর পণ্য ও যাত্রীবাহী নৌ যান নির্বিঘেœ চলাচল নিশ্চিত হবে। ফলে স্বল্প ব্যয়ে মালামাল ও যাত্রী পরিবহণ নিশ্চিতের সঙ্গে সঙ্গে সেচ সুবিধার মাধ্যমে নদী বিধৌত এলাকায় মানুষের জীবন মান উন্নয়ন হবে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]