আয়েশা খানম বললেন, বাল্যবিবাহ বন্ধে আইনের ‘বিশেষ ক্লজটি’ বাদ দেয়া দরকার

আমাদের নতুন সময় : 16/09/2019


আমিরুল ইসলাম : বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম বলেছেন, বাল্যবিবাহ আইনে ‘তবে যদি অভিবাবক মনে করেন’ বলে যে বিশেষ ক্লজ রয়েছে এটা অবশ্যই বাদ দেয়া দরকার। এটার কারণেই বর্তমানে বাল্যবিবাহগুলো হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ আইনটা এ রকমভাবে করা হয়েছে যে, মা-বাবা যদি চায় তাহলে মেয়েকে বিশেষ পরিস্থিতিতে অপ্রাপ্তবয়সে বিয়ে দিয়ে দিতে এরপর পৃষ্ঠা ৭, সারি
(শেষ পৃষ্ঠার পর) পারবে। সরকার বাল্যবিবাহ আইনের ক্ষেত্রে কম্প্রোমাইজ করেছে। বাবা-মা ‘বিশেষ পরিস্থিতি’র কথা বলে তাদের মেয়েকে অপ্রাপ্তবয়সে বিয়ে দিতে পারছে। বাল্যবিবাহ আইনটা সমস্যাজনক। এক্ষেত্রে আইন থাকার ফলেও প্রয়োগ করা যাচ্ছে না, অভিভাবকদের জন্য। অভিভাককদের ভূমিকা, সমাজ সচেতনতা ও পারিবারিক ভূমিকা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাল্যবিবাহ রোধের ক্ষেত্রে।
তিনি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ বন্ধ না হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে মা-বাবার সচেনতার অভাব। অনেক জায়গায় দেখা যাচ্ছে মেয়েরা নিজেরাই বাধা দিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করছে। মা-বাবা নিরাপত্তাহীনতার কারণে মেয়েকে কম বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয়। তারা মনে করে বিয়ে দিয়ে দিলে মেয়ের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হবে। দারিদ্র্যের কারণেও মা-বাবা মেয়েকে কম বয়সে বিয়ে দিয়ে দেন। তারা মনে করেন মেয়েকে আর কয়দিন রাখবে। বাল্যবিবাহ দেয়ার কারণে পরিপূর্ণ বয়স হওয়ার আগেই বাচ্চার মা হয়ে যাচ্ছে, স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে, শিশু শিশুর মা হয়ে যাচ্ছে, দেহের অনেক অঙ্গ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাল্যবিবাহ হওয়ার কারণে মেয়েটির নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়ে যাচ্ছে। চিরকালের জন্য তার জীবনটা অনিরাপদ হয়ে যায়। কিন্তু অভিভাবকরা যদি না বুঝে এবং সন্তান যদি সহযোগিতা করে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। বাল্যবিবাহ রোধ করতে অভিভাবকদের সচেতন করা একটা বড় ব্যাপার।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]