পরবর্তী


খসড়া তৈরির কাজ শেষ, শিগগিরই যুগোপযোগী হচ্ছে সমুদ্র আইন

আমাদের নতুন সময় : 16/09/2019

তাপসী রাবেয়া : সাগরসীমা নিয়ে বিরোধ মেটাতে প্রয়োজন পুরোনো আইন সংস্কারের। ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে আর ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা নিয়ে সৃষ্টি হওয়া জটিলতায় বিরোধ মিটে যাওয়ার পর পুরনো আইন বদলের এরপর পৃষ্ঠা ৭, সারি
(শেষ পৃষ্ঠার পর)প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে সরকার। এ পটভূমিতে নতুন আইনের খসড়া তৈরি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সর্বশেষ ১৯৭৪ সালে সমুদ্র অঞ্চল আইন করেছিল সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি সুত্র আইনের খসড়া তৈরির কথা নিশ্চিত করেছেন। মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব মোহাম্মাদ খোরশেদ আলম গণমাধ্যমের কাছে বলেন, ‘ সমুদ্র অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন বিবেচনা করে এই আইন প্রণয়ন করা হবে। সরকারের অনুমতি পেলে প্রথমিক এই খসড়ার কপি সংসদে উপস্থাপন করা হবে। ১৯৭৪ সালের আইনে ৯টি ধারা ছিল। প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে নতুন আইনের খসড়ায় রাখা হয়েছে ১১৬টি ধারা।সমুদ্রের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি বিষয়কে এসব ধারার উপধারাগুলোতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন আইনে বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে উল্লেখ করে খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন এবং এজন্য আইনের পাশাপাশি জ্ঞানেরও প্রয়োজন আছে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, এক কেজি টুনা মাছের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ১৫ ডলার, কিন্তু এই খাতে বিনিয়োগ করছে না কেউ। আবার স্পিরুলিনা যা প্রসাধন সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বিদেশি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করে পণ্য বানিয়ে বাংলাদেশেই বিক্রি করছে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশ সমুদ্র অঞ্চল আইনের খসড়ায় রাষ্ট্রের জলসীমার বিস্তৃতি কতদূর হবে এবং ওই জলসীমায় দেশি-বিদেশি জাহাজ চলাচল কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে, তার বর্ণনা আছে। এছাড়া মহীসোপান, গভীর সমুদ্র এবং একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল কী হবে এবং সেখানে সম্পদ কীভাবে আহরণ করা হবে, থাকছে তার দিকনির্দেশনা। এছাড়া নিরাপত্তাসহ অন্য কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে সেটির নির্দেশনা দেয়া আছে নতুন আইনে।
বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিষয়ে সরকারের এখতিয়ার ও নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং অনুমোদন ছাড়া কোনও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না। আরেকটি ধারায় বলা আছে, গবেষণা কার্যক্রমের অনুমতি পাওয়ার পরে গবেষণালব্ধ তথ্য সরকারকে দিতে বাধ্য থাকবে গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান। জলদুস্যতা, চুরি ও অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে কী করণীয় সে বিষয়ে পরিষ্কার নিদের্শনা থাকবে নতুন আইনে। এছাড়া সমুদ্র সহযোগিতা কীভাবে বাড়ানো যায় এবং অন্যদেশগুলোর জ্ঞান কীভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়েও নির্দেশনা থাকবে নতুন আইনে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]