• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » চকবাজারে প্রকাশ্যে তৈরি হচ্ছে ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী, নজরদারিতে একাধিক কারখানা


চকবাজারে প্রকাশ্যে তৈরি হচ্ছে ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী, নজরদারিতে একাধিক কারখানা

আমাদের নতুন সময় : 16/09/2019

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : রাজধানীর চকবাজারে প্রকাশ্যেই ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় ব্র্যান্ডের পাশাপাশি বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ডের পণ্যও তৈরি করছে ভেজালকারীরা। র‌্যাব পুলিশের ভেজালবিরোধী অভিযানেও এসব নকলবাজদের রোধ করা যাচ্ছে না। তবে চকবাজার এলাকার বেশকিছু প্রসাধনী সামগ্রী কারখানা নজরদারিতে রয়েছে। সূত্র জানায়, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে যে সব পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচারিত বেশি হয়, সেগুলোই নকল বেশি হচ্ছে। সেই প্রসাধনগুলোর মধ্যে শ্যাম্পু, কোল্ড ক্রিম, বডি স্প্রে, ত্বক উজ্জ্বলকারী স্নো-ক্রিম, পাউডার, সাবান, শেভিং ক্রিম, নেইল পলিশ, লিপস্টিক, মেহেদি, তেল, লোশনসহ শতাধিক পণ্য। আবার ইউনিলিভার, স্কয়ার টয়লেট্রিজ, কোহিনুর কেমিক্যাল, লালবাগ এরপর পৃষ্ঠা ৭, সারি
(শেষ পৃষ্ঠার পর) কেমিক্যালের পণ্য ও আমদানি করা বিদেশি বড় বড় ব্র্যান্ডের পণ্য প্রকাশ্যে নকল ও বাজারজাত করা হচ্ছে।
এসব নকল প্রসাধনীর বড় বাজার হচ্ছে, চকবাজার , মৌলভীবাজার , চকবাজার, বেগমবাজার, রহমতগঞ্জ, কেরানীগঞ্জের জিনজিরা, কামালবাগ, খাজেদেওয়ান, ইসলামবাগ, দেবীদাসঘাট, বড় কাটারা, ছোট কাটারা ও কামরাঙ্গীর চরে।
চিকিৎসকরা বলছেন, এসব শ্যাম্পু ব্যবহারে চুলপড়া, মাথায় খুশকির পাশপাশি দেখা দিতে পারে চর্মরোগ। পুরান মেশিনের জং বা মরিচা তোলা হয় এমন তেলের সাথে সুগন্ধি মিশিয়ে প্যারাসুট, গন্ধরাজ ও জুঁই তেলের কৌটায় বিক্রি হচ্ছে। মাথার চুল ঝরে যাওয়ার পাশাপাশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন ব্যবহারকারীরা। নকল শ্যাম্পুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে গার্নিয়ার, হেড অ্যান্ড শোল্ডার, ল’রেল, রেভলন ও পেনটিন। আর নিভিয়া লোশন, লাক্স লোশন, মাক্স লোশন, অ্যাকুয়া মেরিন লোশন, ফেড আউট ক্রিম, ডাভ সাবান, ইমপেরিয়াল সাবান, সুগন্ধির মধ্যে হুগো, ফেরারি, পয়জন, রয়েল, হ্যাভক, কোবরা সবই এখন ভেজাল আর নকলে ভরা। নকল এই পণ্য এখন নামিদামি অনেক শপিংমলের দোকানে আর রূপচর্চার সেলুন বা পার্লারেও। অলিভ অয়েল, কিওকারপিন, আমলা, ভ্যাসলিন হেয়ার টনিক, জিলেট ফোম, আফটার সেভ লোশন, জনসন, প্যানটিক প্রোভি ও হারবাল অ্যাসেনশিয়াল লোশন।
সূত্র জানায়, চকবাজারের একটি সিন্ডিকেট জার্মান, ফ্রান্স, ইটালি, দুবাই ও থাইল্যান্ডের নামিদামি ব্র্যান্ডের প্রসাধনীর নকল পণ্য চায়না থেকে অর্ডার দিয়ে তৈরি করে এনে চকবাজারে অধিক মুনাফায় বিক্রি করছেন। চায়না থেকে আমদানি করা নকল পণ্যের চালান চট্টগ্রামের নৌবন্দরে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চকবাজারে আনা হয়। নকল পণ্য ব্যবসায়ীরা দোকানে বিক্রি না করে গুদাম থেকে প্রসাধনী বিক্রি করছে।
র‌্যাব-পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, শুধু চকবাজার নয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এসব নকল পণ্য সরবরাহের অভিযোগে প্রায়ই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেল জরিমানা করা হচ্ছে। জামিনে বেরিয়ে এরা আবারও পুরনো কাজে যোগ দেয়। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]