‘যারা অস্ত্রবাজ ও ক্যাডার পোষেন তাদেরও দমন করা হবে’

আমাদের নতুন সময় : 16/09/2019

সমীরণ রায় : যুবলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা অস্ত্রবাজি করেন, ক্যাডার পোষেণ, তারা সাবধান হয়ে যান, এসব বন্ধ করেন, তা না হলে কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে দলের নেতাকর্মীদের দিয়েছেন। পাশাপাশি এরপর পৃষ্ঠা ২, সারি
(প্রথম পৃষ্ঠার পর) দলীয় পদ ও সরকারের দায়িত্বশীল পদে আসীন আছে তাদেরকে আত্ম অহমিকা ও ক্ষমতার জোরে অর্থ ও দুর্নীতির সয়েমড় সম্পৃক্ত না হওয়ার কথা বলেন। তা না হলে, যেভাবে জঙ্গি দমন করা হয়েছে, একইভাবে তাদেরকেও দমন করা হবে। শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ বলেন, যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে তখন কেউ অস্ত্র নিয়ে বের হয়নি, অস্ত্র উঁচিয়ে প্রতিবাদ করেনি। যখন দলের দুঃসময় ছিল তখন কেউ অস্ত্র নিয়ে দলের পক্ষে অবস্থান নেয়নি। এখন টানা তিন বার সরকারে আছি। অনেকের অনেক কিছু হয়েছে। কিন্তু আমার সেই দুর্দিনের কর্মীদের অবস্থা একই আছে।
সভায় যুবলীগের কথা উঠান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক। বৈঠকের এজেন্ডায় উল্লেখ থাকা শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, দল যথাযথ মর্যাদায় দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করতে চায়। কিন্তু নেত্রী খোদ এটাতে অনীহা প্রকাশ ও অপছন্দ করেন। এক্ষেত্রে নানক যুবলীগের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচীর কথা উল্লেখ করেন। পরে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা উল্লেখ করে বলেন, শনিবার যুবলীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা করেছে। তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এরই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিসের টাকা বৈধ করতে মিলাদ মাহফিল করা হয়েছে। তার জন্য এমন মিলাদ মাহফিল দরকার নেই। যুবলীগের একটি অংশের সভাপতি, তাকে ক্রস ফায়ার থেকে বাঁচানো হয়েছিলো। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক এখন দিনের বেলায় প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিঁয়ে চলেন। এসব বন্ধ করতে হবে। যারা অস্ত্রবাজী করেন, যারা ক্যাডার পোষেণ, তারা সাবধান হয়ে যান, এসব বন্ধ করুন। তা না হলে যেভাবে কঠোরভাবে জঙ্গী দমন করা হয়েছে, একইভাবে এইসব অস্ত্রবাজদেরও দমন করা হবে।
এছাড়া কয়েকমাস আগে কৃষক ধানের ন্যায্য মূল্য না পেলে দলের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মন্ত্রীর সমালোচনা করে স্টাটাস দেন। এ বিষয়ে দলীয় সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী একজন সদস্য বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন। এর জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, এটি নিয়ে কথা বলার এখন কিছু নেই। সে তো দুঃখ প্রকাশ করেছে। পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে এমন কিছু হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]