• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » ২০২১ সাল নাগাদ বস্ত্রখাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলার, জানালেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী


২০২১ সাল নাগাদ বস্ত্রখাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলার, জানালেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 16/09/2019

স্বপ্না চক্রবর্তী : ‘ভিশন-২০২১’ অনুযায়ী ২০২১ সালে মধ্যে বস্ত্রখাতের রপ্তানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। বহুমুখী বস্ত্রপণ্যের মেলা আয়োজন করা হলে এ শিল্প আরো বিকশিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি গরুত্বপূর্ণ খাত। এজন্য বস্ত্রশিল্পের সফলতা অর্জন ও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা দেওয়া ও উদ্বুদ্ধ করাসহ উৎসাহিত করা  হবে। রোববার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস-২০১৯’ প্রথমবারের মত সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এ কথা বলেন। এসময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, বিজেএমসি’র চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাসিম, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিলীপ কুমার সাহা, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ টেরিটাওয়েল অ্যাসোসিয়েশনসহ বস্ত্র শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, এ ধারাবাহিকতায় বস্ত্রখাতের সঠিক বিকাশ ও সুরক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার করণীয় নির্ধারণ করে বিভিন্ন বিষয় সুনির্দিষ্ট করে ‘বস্ত্রনীতি-২০১৭’ এবং ‘বস্ত্র আইন-২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে। একটি আনুষ্ঠানিক দিবসের উদযাপন এখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি। মন্ত্রী বলেন, প্রতিযোগিতা সক্ষম একটি বস্ত্র ও পাটখাত গড়ে তোলার ভিশন এবং বস্ত্র ও পাট খাতের অপার সম্ভাবনাকে পূর্ণরূপে কাজে লাগিয়ে উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বৃদ্ধির মিশন নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বৃদ্ধিসহ সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রতিবছর ৪ ডিসেম্বরকে জাতীয় বস্ত্র দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে তা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]