• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » চাল-গমে এলসি বেড়েছে ৮৬৭ কোটি ৭২ লাখ টাকার, বাড়েনি আমদানি! নিষ্পত্তির হার কমেছে ৪০ শতাংশ, বলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক


চাল-গমে এলসি বেড়েছে ৮৬৭ কোটি ৭২ লাখ টাকার, বাড়েনি আমদানি! নিষ্পত্তির হার কমেছে ৪০ শতাংশ, বলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আমাদের নতুন সময় : 17/09/2019

মেরাজ মেভিজ : বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাল-গম আমদানির বিপরীতমুখী এ চিত্র। গত অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার হার বাড়লেও আমদানি বেড়েছে এমন দাবি করতে নারাজ বিশ্লেষকরা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে এ জুলাইতে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বিদেশ থেকে চাল ও গম আমদানির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে ১৫২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে মাত্র ৬ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের খাদ্যশস্য আমদানির এলসি খোলা হলেও চলতি বছরে জুলাই মাসে এলসি খোলা হয়েছে ১৭ কোটি ৮ লাখ ডলারের। অর্থাৎ বেড়েছে ১০ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। টাকার অংকে ৮৬৭ কোটি ৭২ লাখ। (১ ডলার ৮৪ টাকা ধরে)।
দেশের বাজারে চলতি বছর চাল-গমের উদ্বৃত্ত থাকার পরও এলসি’র পরিমাণ এত বেড়ে যাওয়া আশংকাজনক হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণের পর, আমদানি বেড়েছে এমন দাবি করতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা। এর কারণ হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের জুলাই শেষের এলসি নিষ্পত্তির বিষয়টি বিবেচনা করতে বলছেন তারা।
খাদ্যশস্য আমদানির এলসি খোলার হার হঠাৎ বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ড. জায়েদ বখত বলেন, এলসি খোলার হার বাড়লেও নিষ্পত্তির হার কিন্তু বাড়েনি। এ কারণে খাদ্য আমদানি বেড়েছে তা বলা যাবে না।
কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, খাদ্যশস্য আমদানির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ বাড়লেও এলসি নিষ্পত্তির হার কমেছে। আগের বছরের জুলাইর তুলনায় এই বছরের জুলাইয়ে এলসি নিষ্পত্তির হার কমেছে ৪০ দশমিক ২৩ শতাংশ। যেখানে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে খাদ্যশস্য আমদানির জন্য এলসি নিষ্পত্তি হয়েছিল ১৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের। সেখানে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।
সব মিলিয়ে তাই প্রকৃত হিসাব জানতে আরও এক মাস অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করছেন জায়েদ বখত। তার যুক্তি, অনেক সময় বছরের কোনও এক মাসের সঙ্গে অন্য বছরের ওই মাসের তুলনা করলে মনে হবে আমদানি বেড়েছে। কিন্তু এজন্য আরও এক মাস দেখতে হবে। তবেই প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]