• প্রচ্ছদ » » প্রাইমারি স্কুল কিংবা পরিবার থেকেই গ্রিটিংস লার্নিং দেয়াটা খুব জরুরি


প্রাইমারি স্কুল কিংবা পরিবার থেকেই গ্রিটিংস লার্নিং দেয়াটা খুব জরুরি

আমাদের নতুন সময় : 17/09/2019

‘কী রে এতো মোটা হচ্ছিস ক্যান?’ ‘নাহ তুই অনেক কালো হইয়্যা গেছিস।’ এই টাইপের বাক্য দিয়ে আমরা বেশিরভাগ সময় আলাপ শুরু করি। এটা এখন ‘গ্রিটিংসে’র মর্যাদা পেয়ে গেছে। এ ধরনের ‘গ্রিটিংস’ যে কাউকেই যে আহত করতে পারে তা আমরা বুঝেও না বোঝার ভান করি। অথচ গ্রিটিংসের ক্ষেত্রে এমন ‘শব্দ বা বাক্য’ চয়ন হওয়া উচিত যা অন্যকে প্রীত করবে।Ñকী রে, তোর মাথার চুল তো সব গেলো।Ñআমার না হয় চুল গেছে, তোর চামড়ায় তো ভাঁজ পড়ে গেছে রে। তোর এ অবস্থা ক্যামনে হলো? লে হালুয়া!
অনেকদিন পর দুই বন্ধুর দেখা। অথচ আলাপের শুরুতেই দুজনই দুজনের মন খারাপ করে দিলো। এখন এই রেশ চলবে অনেক্ষণ। একসময় কথার মারপ্যাঁচে একে অপরকে হেয় করার প্রতিযোগিতাটা চরমে গিয়ে পৌঁছাবে। তারপর ইতিহাস। আলাপ শেষে একটা অস্বস্তি নিয়েই দুজন ফিরে যাবে। দেশ-বিদেশে ভিন্ন জাতিসত্তার বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করতে গেলে দেখা যায় তারা ‘ধঢ়ঢ়ৎবপরধঃরড়হ’ কিংবা ‘ইতিবাচক শব্দ’ দিয়ে আলোচনা শুরু করে।-ট ষড়ড়শ ংড় মড়ড়ফ.-ঘরপব ংযরৎঃ/ংঁরঃ.-এষধফ ঃড় ংবব ঁ. অথচ এ দেশের অধিকাংশ মানুষ কোনো ব্যক্তির সুন্দর লুক কিংবা চমৎকার সুট/শার্টটা না দেখে শুধু টাক মাথা, মোটা হওয়া, গায়ের রং কালো হওয়াটা দেখে। তারপর, ‘নেতিবাচক’ শব্দ দিয়ে আলাপ শুরু করে।
পুনশ্চ : প্রাইমারি স্কুল কিংবা পরিবার থেকেই গ্রিটিংস লার্নিং দেয়াটা খুব জরুরি। শুধু তাই নয়, কীভাবে রাস্তা পার হতে হয়, কীভাবে খাবার খেতে হয়, কীভাবে ধন্যবাদ দিতে হয়, কীভাবে অন্যের প্রশংসা করতে হয় প্রভৃতি জিনিস প্রাইমারি স্কুলেই বাধ্যতামূলকভাবে শিক্ষা দেয়া উচিত। আবার প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সিলেবাসেও এগুলো জুড়ে দেয়া অত্যাবশকীয়। এটা প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকদের দায় নয়, পুরো জাতির দায়। Ñসংগৃহীত




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]