• প্রচ্ছদ » » ছাত্রনেতা তাদেরই হওয়া উচিত যারা দেশ ও তরুণদের নিয়ে ভাববেন, নিজেকে নিয়ে নয়


ছাত্রনেতা তাদেরই হওয়া উচিত যারা দেশ ও তরুণদের নিয়ে ভাববেন, নিজেকে নিয়ে নয়

আমাদের নতুন সময় : 19/09/2019

রাশেদা রওনক খান : ছাত্র রাজনীতি নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর যে স্ট্যাটাসটা দিয়েছিলাম, দেখলাম সাইবার জগতে এটার কয়েক ধরনের ব্যাখ্যা দাঁড়িয়েছে! সঙ্গত কারণেই আমার মনে হচ্ছে যারা ভুল ব্যাখ্যা করছেন, তাদের আরেকবার করে স্ট্যাটাসটি পড়ার অনুরোধ করতে পারি। এই স্ট্যাটাস প্রকাশ করার পর যে পরিমাণ ইনবক্স পাচ্ছি, এতো মেসেজ আমি আর কখনো পাইনি, যা প্রতি মুহূর্তে পাচ্ছি, এখনো সমানতালে পেয়েই যাচ্ছি। সেসব লেখায় তারুণ্যের হাহাকার যেমন দেখছি, তেমনি শুনছি তারুণ্যের বলা-না বলা অনেক কথা। তবে সবার উত্তর এই মুহূর্তে আমার পক্ষে দেয়া সব সম্ভব নয়, তবে নিশ্চয়ই সবাইকেই তাদের জানতে চাওয়া বা যে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, তা নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো। কিছুটা সময় লাগবে! তবে অনেকেই আমাকে কজনের শেয়ার কিংবা পত্রিকার হেডিং কিংবা ইউটিউবে এই স্ট্যাটাস নিয়ে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন (তাদের ধন্যবাদ জানাই), তা দেখেই বলছি, কয়েক ধরনের ব্যাখ্যা দাঁড়িয়েছে, যার সাথে আমার লেখার উদ্দেশ্য কয়েক ক্ষেত্রে মিলেছে, কয়েক ক্ষেত্রে মিলেনি।
অনেকেই স্ট্যাটাসটি প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যক্তি ‘শোভন-রাব্বানি’দেরকেই সামনে নিয়ে এলো এবং নানাভাবে এই স্ট্যাটাসটিকে বলতে চেয়েছেন যে, শিক্ষক হিসেবে আমি রহফরৎবপঃষু আসলে তারা মেধাবী, ভদ্র বুঝাতে চেয়েছি, তাদের পরিবারকে বড় করে দেখিয়েছি এবং তাদের এই বাদ পড়াটায় আহত হয়ে লিখেছি, তাদের বলবো পড়ুন আরেকবার। দ্বিতীয়ত, যারা বলছেন আমি তাদের বিরুদ্ধে লিখেছি, আমার সাথে তাদের ব্যবহার ভালো ছিলো না, তাদেরও বলবো, আরেকবার পড়ুন! উভয় পক্ষকেই বলবো, তাদের ইমেজ বৃদ্ধি করা কিংবা তাদের বিরুদ্ধে বলা-কোনোটাই আমার আগ্রহের বিষয় ছিলো না। আমি বলেছি, তারা শুনেছে এবং তাদের মাঝে আমি কোনোরকম নেগেটিভ আচরণ ছিলো না, শব্দটা ছিলো, ‘অবাক হয়েছেন’, কিন্তু এটাকে নেগেটিভভাবে কেউ কেউ প্রচার করছেন, যা খুব দুঃখজনক। আপনারা অনেকেই বলেন, কেউ সত্য বলে না, কেউ সাহসী উচ্চারণ করে না। কিন্তু কেউ ঘটনার নির্মোহ বিশ্লেষণ করলে সেই বিশ্লেষণকে গুলিয়ে জল ঘোলা করে মাছ শিকার করাও তো ঠিক নয়! আমি বরাবরই তারুণ্যের পক্ষে কাজ করি। দেশের গুটিকয়েক তরুণ কোটিপতি হবে চাঁদাবাজি আর টেন্ডারবাজি করে, আর বাকি তরুণ হাজার টাকার চাকরি পাওয়ার আশায় পায়ের স্যান্ডেল ছিঁড়বে, কেউ কেউ বেকারত্বের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করবে, তা হতে পারে না। ছাত্রনেতা তাদেরই হওয়া উচিত যারা এই বাকি তরুণদের নিয়ে ভাববে। দেশ নিয়ে ভাববে, নিজেকে নিয়ে নয়। বঙ্গবন্ধু কখনোই নিজেকে নিয়ে ভাবেননি, তাহলে তাঁর সৈনিকরা কেন এমন স্বার্থপর হবে?আমি আবারও বলছি, ছাত্রনেতাদের কারা, কীভাবে, কেন, কোন প্রক্রিয়ায় ভুল পথে নেয়, সেটা অনুসন্ধানের আহŸান করেছি। আমার এই উদ্বিগ্নতা কেবল এই দুজনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য তা নয়, বরং ছাত্ররাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষিত নিয়েও । সর্বশেষ ধন্যবাদ জানাই সেইসব পাঠকদের, যারা বুঝতে পেরেছেন, আমি আসলে কি ইঙ্গিত করেছি তাদের ঘটনাটি একটি উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা রইলো লেখাটি বুঝার জন্য। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]