• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে দুই দেশের রেলপথ যাতায়াত পথ সহজ হবে, বললেন রেলওয়ে উপপরিচালক কালিকান্ত


প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে দুই দেশের রেলপথ যাতায়াত পথ সহজ হবে, বললেন রেলওয়ে উপপরিচালক কালিকান্ত

আমাদের নতুন সময় : 19/09/2019

শাহীন খন্দকার : ঢাকা-কোলকাতা , খুলনা- কলকাতা ট্রেন রুটে বাড়ছে যাত্রীর চাপ। এ প্রেক্ষাপটে ঢাকা কলকাতা রুটে চলাচলকারী মৈত্রী এক্্রপ্রেস ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন এবং খুলনা কলকাতা রুটে চলাচলকারী বন্ধন এক্সপ্রেস সপ্তাহে দু’দিন চলাচল করবে এমন প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। রেল সূত্রে জানা যায় । আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের উপপরিচালক (মার্কেটিং) কালিকান্ত ঘোষ বিষয়টি জানিয়েছেন। বর্তমানে ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করে সপ্তাহে চার দিন। আর খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে সপ্তাহে একদিন।
উপ-পরিচালক কালিকান্ত ঘোষ বলেন, গত ৬ আগষ্ট রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন ভারতীয় রেলমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন। এসময় রেলপথমন্ত্রী বন্ধন ও মৈত্রী এক্্রপ্রেস সপ্তাহে ৬দিন চলাচলের বিষয়ে আলোচনা করেন। ভারতের রেলপথমন্ত্রী বন্ধন এক্্রপ্রেস সপ্তাহে ২দিন এবং মৈত্রী এক্্রপ্রেস ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচলের ব্যাপারে তার মতামত দিয়েছেন। আশা করা হচ্ছে , আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রীর ভারতে সফরকালে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ঢাকা-কলকাতা ও খুলনা-কলকাতা ট্রেন রুটে যাত্রীদের ব্যাপক চাপ রয়েছে। ট্রেনের টিকিট পেতে যাত্রীদের এক মাস আগে থেকে লাইন ধরতে হয়। প্রতিটি ট্রেনে আসনসংখ্যা তিন ক্যাটাগরিতে মোট ৪৫৬টি। প্রথম দিকে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন সপ্তাহে দুই দিন চলাচল করত। মৈত্রী এক্সপ্রেসের জনপ্রিয়তা আর যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর থেকে প্রতি সপ্তাহে চার দিন চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারপও যাত্রীর চাপ কমেনি, বরং বেড়েছে। অপরদিকে খুলনা-কলকাতা রুটে যাত্রীর ব্যাপক চাহিদার কারণে ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর চালু হয় বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন। বন্ধন এক্সপ্রেস সপ্তাহের বৃহস্পতিবার চলাচল করে।
খুলনা থেকে কলকাতা পর্যন্ত ১৭৫ কিলোমিটার রেলপথ পাড়ি দিতে সময় লাগে মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টা। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কলকাতার চিতপুর থেকে যাত্রী নিয়ে খুলনায় পৌঁছে দুপুর ১২টার দিকে। আর দুপুর দেড়টার দিকে খুলনা থেকে ছেড়ে যায়। বন্ধন ট্রেনে ১০টি কোচ রয়েছে। যার মধ্যে চারটি এক্্িরকউটিভ চেয়ার, চারটি এসি চেয়ার গাড়ি (সিসি) এবং দুইটি জেনারেটরসহ লাগেজ ও গার্ডভ্যান।
ঢাকা-কলকাতার দূরত্ব ৩৯২ কিলোমিটার। ভাড়া আদায়যোগ্য দূরত্ব ৫৩৮ কিলোমিটার। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-দর্শনার দূরত্ব ২৭২ কিলোমিটার। দর্শনা-কলকাতা দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পুরো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলেও ভাড়া বাড়ানো হয়নি। বরং আগের তুলনা সুযোগ-সুবিধাও বেশি। এসি কেবিন সিট ১ হাজার ৮৮৬, এসি চেয়ার ১ হাজার ৪৩৩ টাকা। আর নন-এসি টিকিটের মূল্য ৬৫০টাকা। আর ভারতে ভ্রমণ কর ৫০০ টাকাও টিকিট সংগ্রহের সময় নিয়ে নেয়া হয়। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী, আবদুল অদুদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]