• প্রচ্ছদ » » ‘যখন লন্ডন থেকে তারেক, দেশ থেকে রিজভী, দুদুর বক্তব্য শুনি তখন মনে হয়, আওয়ামী লীগের সারাজীবন ক্ষমতায় থাকা উচিত’


‘যখন লন্ডন থেকে তারেক, দেশ থেকে রিজভী, দুদুর বক্তব্য শুনি তখন মনে হয়, আওয়ামী লীগের সারাজীবন ক্ষমতায় থাকা উচিত’

আমাদের নতুন সময় : 19/09/2019

সুলতান মির্জা :  মাসখানেক আগে বিএনপি ঘরানার ব্যবসায়ী গ্রæপ অব কোম্পানিজের মালিকের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো, ভদ্রলোক বলতেছিলো আওয়ামী লীগের প্রতি রাগ ক্ষোভ নাই যে তা বলবো না, সরকার পরিবর্তন হোক এটাও চাই, কিন্তু যখনই লন্ডন থেকে তারেক, দেশ থেকে রিজভী, দুদুর বক্তব্য শুনি তখন মনে হয় আওয়ামী লীগের সারাজীবন ক্ষমতায় থাকা উচিত। বিএনপির ইডিয়টসগুলোর চেয়ে আওয়ামী লীগ হাজারগুণ ভালো। কথা শুনে কিঞ্চিৎ টাস্কি খাইলাম। জিজ্ঞেস করলাম, মনের কথা নাকি আমার সঙ্গে খেজুরে কথা বললেন? ভদ্রলোক বললো মনের কথা…বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদুর টকশো বক্তব্য শুনলাম সম্প্রতি আমাদের কেউ একজন ফরোয়ার্ড করে দিয়েছিলো। যদিও বিএনপি নেতা দুদুর বক্তব্য উচ্চারণ করার রুচি হচ্ছে না। তাই উল্লেখ করলাম না। এর আগের দিন টকশোয়ের একটা ফুটেজে দেখেছিলাম বিএনপির একসময়ের তুখোড় দর্জাল চরিত্র পাপিয়া পান্ডের বিএনপি ধোলাই বক্তব্য। অস্থির মহিলার অস্থির বক্তব্য। কানে নিবো কিনা সেটা পরে। বলছি টকশোয়ে দেয়া শামসুজ্জামান দুদুর বক্তব্যের মাজেদা প্রসঙ্গে। দুদুর একটা হাইজিনন অসুখ আছে, সেটা হলো আপনি দুদুরে যখন গোনায় ধরবেন কাউন্টার দেবেন তখন দুদুর মাথা আউলাইয়া যায়। নিজের মাকে খালা ডাকাও তার একটা অংশ। দুদুর আলোচিত বক্তব্যগুলো নিয়ে রীতিমতো একটা ভয়ংকর স্ট্যান্ডআপ কমেডি শো হতে পারে। যেমন ধরেন ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবরের আগে কোনো একসময়ে দুদুর একটা বক্তব্য ছিলো যে ২৫ অক্টোবরের পর থেকে দেশে আওয়ামী লীগ বলে কিছু থাকবে না, দেশ চলবে খালেদা জিয়ার হুকুমে। এই দুদু ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পরে বলেছিলো এই সরকার এক মাসের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। এই দুদু ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারির পর বলেছিলো আজ থেকে দেশের সব ক্ষমতা গ্রহণ করেছে খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগের কেউ যদি দেশ ছেড়ে পালাতে চায় তাহলে খালেদার কাছে ক্ষমা চেয়ে পালাতে পারবে। এমন কয়েক ডজন বক্তব্যের মালিক দুদুর নতুন বক্তব্যে নিয়ে খুব বেশি সিরিয়াস হওয়ার কিছু দেখছি না। কারণ এই পর্যন্ত দুদুর দেয়া কোনো বক্তব্যের কিঞ্চিৎ সত্যতার প্রমাণ মিলেনি। তবে সঙ্গত কারণে কিছু রেখে কিছু ধরে এইটুকু বলতে হচ্ছে ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টায় বিএনপির তারেক-দুদুরা গত দশ বছরে বেশ পরিকল্পনা করেও মাঠে মারা খেয়েছে আমাদের বিচক্ষণ দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা কর্মচারীদের কারণে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির মাজা আছে কি নেই এটা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে, বিতর্ক হতে পারে ৭৫-এর ১৫ আগস্টের মতো পরিবেশ তৈরি করার সক্ষমতা বিএনপির হাতে আছে কি নেই। বিতর্ক হতে পারে এই দেশের সব স্তরে ক্যু করে আরেকটা ১৫ আগস্ট ঘটিয়ে ক্ষমতায় ফেরার বিএনপির আধিপাত্য খাটানোর ক্ষমতা কতোটুকু আছে। তবে যা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই, সেটা হলো বিএনপি নেতা দুদুকে তার দেয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার ইস্যুতে। এই বিষয়ে বিতর্ক থাকার কোনো সুযোগ নেই বলেই মনে করি। অতএব, দুদুকে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানাচ্ছি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]