• প্রচ্ছদ » » সবাই ভুলে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী, নতুন করে মনে করিয়ে দিতে হবে!


সবাই ভুলে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী, নতুন করে মনে করিয়ে দিতে হবে!

আমাদের নতুন সময় : 19/09/2019

বাকী বিল্লাহ : সরকারের টাকা নেই তাই রাস্তায় চলতে গেলেও টোল দিতে হবে ছাত্রলীগের একটা ইউনিট উন্নয়ন বখরা পেয়েছে এক কোটি আশি লাখ বা বিশ্বের সবচেয়ে খরুচে বিদ্যুৎকেন্দ্র-রাস্তা-ব্রিজ অথবা সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিতের সেই মহান বাণীসমূহের ভাঙা রেকর্ড ব্যাংক লুটেরা গোষ্ঠী ইজ সো পাওয়ারফুল, তাদের কিছু করা যাচ্ছে না, এই যাবতীয় উন্নয়ন-লুটপাটের গল্প এখন পুরনো হয়ে গেছে। লুটপাট বা ডাকাতি যাই বলি না কেন হাজার হাজার কোটির অঙ্কেও আর নতুন কোনো চমক নেই। এসব কোনো খবর পেয়ে খারাপ লাগে না। মাৎসন্যয়েরও শেষ আছে, এই আশায় বসে থাকি। কিন্তু গত দশ বছরের শাসনামলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পৈশাচিক পরিণতি এবং তার নতুন নতুন নানা প্রদর্শন দেখে ভয়ানক খারাপ লাগে । এটাতে এখনো অভ্যস্ত হতে পারিনি।
গোপালগঞ্জের বিশ্ববিদ্যালয়টি বঙ্গবন্ধুর নামে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আগের উপাচার্য ভিসি ভবনে বিউটি পার্লার খুলেছিলেন, তিনি নিজেই নাকি বসতেন ক্যাশে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র অর্ঘ্য বিশ্বাস একটা সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করেছিলেন সেই নোটটির পরতে পরতে বিবরণ আছে, প্রশাসনিক শুয়োরতন্ত্র কাকে বলে! ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো তারা কৃষক যেন ধানের ন্যায্য দাম পায়, সে দাবিতে মানবন্ধন করেছিলেন। যে বিকৃত উন্নয়ন দর্শনে দেশ পরিচালিত হচ্ছে তার নিরীখে এগুলোই হচ্ছে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ’।
সবাই শুনেছে গোপালগঞ্জের ভিসি নাসিরউদ্দিন তা একজন ছাত্রীর সঙ্গে কোন ভাষায় কথা বলেছে। প্রকৃতপক্ষে এদের ভাষার মান আরও নি¤œ, তার সবটুকু আমরা শুনতে পাই না। এরপর ওই ভিসিই আবার সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন জিনিয়া মেয়েটি বিশ্ববিদ্যালয়, উপাচার্য, ও প্রশাসনকে ধ্বংস করার মহাপরিকল্পনায় লিপ্ত, ফলে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আবার এটাও বলেছেন ক্ষমা চাইলে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। কে কার কাছে ক্ষমা চায়। কোন পর্যায়ের বেহায়া হলে এই লোক একথা বলতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী আমরা হয়তো বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছি, কিন্তু সেসব কথা কোনো আবেদন তৈরি করছিলো না। নতুন করে জিনিয়া সেই কথাটির মধ্যে আবেদন নিয়ে এসেছে, তাতে প্রাণ সঞ্চার করেছে। এখনো যদি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভেতরে জেঁকে বসা কসাইখানা ও শুয়োরের খোঁয়াড়গুলো উচ্ছেদে না নামতে পারি বড় দেরি হয়ে যাবে তবে। ক’দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ওঝা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করেছে খোঁয়াড়গুলোতে, তবে শুধু ওরা একারা পারবে না। যে যেখানে আছে সবাইকে আওয়াজ দিতে হবে। সবাই ভুলে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী সবাইকে নতুন করে সেটা মনে করিয়ে দিতে হবে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]