কারা রক্তদান করতে পারবেন না?

আমাদের নতুন সময় : 20/09/2019

মোহাম্মদ শওকত হাফিজ : কুকুরের কামড়ের ইনজেকশন যারা নিয়েছেন, তারা ইনজেকশনের কোর্স শেষ হওয়ার পর এক বছর রক্তদান করবেন না। ২. বড় অপারেশন যাদের হয়েছে তারা এক বছর পর্যন্ত রক্তদান করবেন না। ছোট অপারেশন হলে ছয় মাস পর্যন্ত রক্তদান অনুচিত। ৩. কোনো কারণে যদি কেউ রক্ত গ্রহণ করে থাকেন তবে তিনিও এক বছর রক্তদান করতে পারবেন না। ৪. জন্ডিস, ম্যালেরিয়া বা টাইফয়েড রোগ হলে, সুস্থ হওয়ার পর আরও ছয় মাস রক্তদান করবেন না। ৫. যারা হাসপাতালে গিয়ে দাঁত ফেলেছেন, নাক বা কানে ছিদ্র করিয়েছেন, বা শরীরে উল্কি / ট্যাটু করিয়েছেন, তারাও ছয় মাস রক্তদানে অক্ষম। ৬. গত ছয় মাসের মধ্যে যে মহিলার গর্ভপাত হয়েছে বা যিনি বর্তমানে সন্তান-সম্ভবা, তিনিও রক্তদান করতে পারবেন না। ৭. যে মহিলার সন্তান এখনো মাতৃদুগ্ধ পান করে, তিনি রক্তদান করবেন না। ৮. যে মহিলা বর্তমানে ঋতুচক্রের মধ্যে আছেন (মাসের নির্দিষ্ট ৫-৬ দিন) তিনি রক্তদান করবেন না। ৯. যার কোনো চর্মরোগ বা যৌনরোগ আছে, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পরও ছয় মাস পর্যন্ত রক্তদান করবেন না। ১০. যে ব্যক্তি বর্তমানে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাচ্ছেন, তিনি কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত রক্তদান করবেন না। ১১. যিনি গত বারো ঘণ্টার মধ্যে সুরাপান করেছেন, তিনি রক্তদান করবেন না। কোনো ব্যক্তি যদি নিয়মিত সুরা পানে বা নেশা সেবনে (উৎঁমং) অভ্যস্ত হন, তাহলে তার কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ না করাই উচিত। ১২. যে ব্যক্তি একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সংসর্গে অভ্যস্ত, তার কাছ থেকে রক্ত সংগ্রহ অনুচিত। পতিতা পল্লীর লোকজন, জেলের কয়েদি বা দূরগামী ট্রাকের ড্রাইভারদের কাছ থেকে কখনোই রক্ত সংগ্রহ করতে নেই। ১৩. মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ব্যক্তি বা মানসিক রোগীদের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ করা উচিত নয়। ১৪. একবার রক্তদান করে ৯০ দিনের মধ্যে আর রক্তদান করা অনুচিত। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]