• প্রচ্ছদ » » দাম্পত্য সুখ বাড়ে জ্যামিতিকহারে


দাম্পত্য সুখ বাড়ে জ্যামিতিকহারে

আমাদের নতুন সময় : 20/09/2019

এম আমির হোসেন : সব ছেড়েছুড়ে তার কাছে যাবে এমন নয়, পাগলামি-ছাগলামি করবে এমনও নয়, নুসরাতের প্রতি শাহজাহানের টানটা ছিলো ভিন্ন ধাঁচের। ঘোর ছিলো মারাত্মক, তবে চর্চা ছিলো না বিন্দুমাত্রও। চর্চা ছিলো না বলে তা কখনো ক্ল্যাসিক্যাল প্রেম হয়ে উঠেনি। নুসরাত সব বুঝতো, তবে আস্থা পায়নি। শাহজাহান বুঝাতে চাইতো, তবে উন্মাদনার অভাবে গতি পায়নি। এসব ছিলো ঠিক পনেরো বছর আগেকার কথা। পনেরো বছর পর ফেসবুকের স্যোশাল মিডিয়ায় সুখী শাহজাহানের সঙ্গে সুখী নুসরাতের দেখা হলো। পেশা জীবনে দু’জনই সফল, ঝকমকে জীবনসঙ্গী। প্রোফাইল ও কাভার পেজে সুখী সুখী পারিবারিক ছবি নুসরাতের স্বামী জামসেদকে খুব ভালো লাগে শাহজাহানের। ঈর্ষা নয়, দীর্ঘশ্বাস নয়, বরং প্রেমিকার স্বামীর প্রতি অন্য রকম এক হৃদ্যতা অনুভব করে শাহজাহান।
নুসরাতের স্কুলপড়ুয়া মেয়েটির ছবিতে লাইক দেয়, ছেলেটির অসুখে উৎকণ্ঠিত হয়। নুসরাতের সব কিছু আগের চেয়েও বেশি ভালো লেগে যায় শাহজাহানের। ঘোর এতোদিনে এসে গতিপ্রাপ্ত হয়। একটা তীব্র প্রেম এসে শাহজাহানকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় যা পনেরো বছর আগেও সে এতোটা অনুভব করেনি। স্ত্রী লুৎফাকে আরও গভীরভাবে ভালোবাসতে শুরু করে, নিজের বাচ্চাদের প্রতি, সংসারের প্রতি, পেশার প্রতি যতœশীল হয় আরও। নুসরাতকে ভেবে ভেবে শাহজাহান আরও গভীর আবেগে লুৎফাকে কাছে টানে। লুৎফা স্ত্রী থেকে প্রেমিকা হয়ে উঠে। দাম্পত্য সুখ বাড়ে জ্যামিতিকহারে। সাফল্যও বাড়ে শাহজাহানের। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]