• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » নূর চৌধুরীর বিষয়ে কানাডার কোর্টে বাংলাদেশের এক ধাপ অগ্রগতি


নূর চৌধুরীর বিষয়ে কানাডার কোর্টে বাংলাদেশের এক ধাপ অগ্রগতি

আমাদের নতুন সময় : 20/09/2019

মোহাম্মদ আলী বোখারী, টরন্টো থেকে : ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দন্ডিত নূর চৌধুরীর বিষয়ে কানাডার কোর্টে বাংলাদেশের এক ধাপ অগ্রগতি ঘটেছে। এমনটাই এক প্রতিবেদনে তুলে ধরেছেন টরন্টোয় অবস্থিত দেশটির জাতীয় বার্তা সংস্থা কানাডিয়ান প্রেসের সাংবাদিক জিম ব্রন্সকিল।
‘অটোয়া লুজেস ইন কোর্ট ব্যাটল উইথ বাংলাদেশ ওভার অ্যালেজড্ ক্যু প্লটার’, অর্থাৎ ‘অভ্যুত্থানে অভিযুক্তের ক্ষেত্রে আইনি লড়াইয়ে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে অটোয়া’ শিরোনামযুক্ত মূল প্রতিবেদনটি দৈনিক টরন্টো স্টারের অনলাইনে প্রকাশিত হয় গত বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯। তাতে বলা হয়েছে- ‘কানাডার ফেডারেল কোর্টে বুধবার প্রকাশিত এক রায়ে অটোয়াকে (রাজধানী শহর, যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার সমাসীন) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যাতে নূর চৌধুরীর অভিবাসন মর্যাদা সম্পর্কিত তথ্য বাংলাদেশের কাছে তুলে না ধরার সিদ্ধান্তটি পুর্নবিবেচনা করা হয়।’

এতে আরও বলা হয়েছে যে, ‘২০০৬ সালে গুরুতর অপরাধের কারণে চৌধুরী কানাডায় অভিবাসনের অনুপযুক্ত বিবেচিত হন, তবু তাকে বহিস্কার করা হয়নি। ২০০৯ সালে তিনি প্রাক্-বহিস্কার ঝুঁকি মূল্যায়ণ বিষয়ক এক আবেদন করেন, যা তার নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিপদের ঝুঁকি রয়েছে, তারই পুর্নবিবেচনা। গত নয় বছর ধরে চৌধুরীর অভিবাসন মর্যাদা এবং তার ঝুঁকি পুনর্বিবেচনা বিলম্বিত হচ্ছে কেন সে বিষয়ে কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশ আলোচনা অব্যাহত রেখেছে, সেটাই কোর্টের আদেশে বলা হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কানাডার অভিবাসন মন্ত্রী আহমেদ হোসেনকে লিখেন, যাতে ওই মন্ত্রী কেন্দ্রীয় তথ্য গোপনীয়তা আইনের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে কানাডায় চৌধুরীর অভিবাসন মর্যাদাটি খোলাসা করেন। মন্ত্রী হোসেন সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে জানান, জনস্বার্থে তথ্য উন্মোচনের যে বিধান রয়েছে সেটি পরিপূরণ করা হয়নি এবং তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও দুই দেশের মাঝে কোনো বিদ্যমান চুক্তি নেই।’

ফলে মন্ত্রী হোসেনের ওই প্রত্যাখ্যানের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কানাডার ফেডারেল কোর্টের শরণাপন্ন হয়। তাতে বলা হয়েছে মন্ত্রী তথ্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে জনস্বার্থের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় নেননি। কানাডা সরকার কোর্টে মন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে পাল্টা জবাবে বলেছে, মন্ত্রী হোসেনের সিদ্ধান্ত ও কারণ স্বচ্ছ ও পর্যাপ্ত। ফলশ্রুতিতে ফেডারেল কোর্টের বিচারপতি জেমস ও’র‌্যালি বাংলাদেশের পক্ষে বলেছেন যে, ‘আমার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের আইনি পুর্নবিবেচনার বিষয়টি অনুমোদিত হলো, কারণ মন্ত্রী জনস্বার্থে তথ্য খোলাসাহীনতার প্রেক্ষাপটে সবিশেষ বিবেচনা প্রদানে ব্যর্থ হয়েছেন।’
তথাপি কানাডিয়ান প্রেসের ওই প্রতিবেদনের সমাপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘কোর্টের ওই রায়ের অর্থ এই নয় যে মন্ত্রী তথ্য খোলাসায় রাজি হবেন; তবে তিনি বিষয়টি আবারও দেখা, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যথাযথ মনোনিবেশ করা এবং ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তার পর্যাপ্ত কারণ দর্শাতে পারেন।’




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]