• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » বিদেশ পালাতে চেয়েছিলেন খালেদ ক্যাসিনো থেকে মাসে আয় ৩ কোটি টাকা বিভিন্ন দেশে বাড়ি, অঢেল সম্পদ


বিদেশ পালাতে চেয়েছিলেন খালেদ ক্যাসিনো থেকে মাসে আয় ৩ কোটি টাকা বিভিন্ন দেশে বাড়ি, অঢেল সম্পদ

আমাদের নতুন সময় : 20/09/2019

মাসুদ আলম : স্থানীয় প্রসাশন ও রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করেই রাজধানীর ফকিরাপুলের ইয়ংমেন্স ক্লাবে চলছিলো জুয়ার আসর। এজন্য চীন ও নেপাল থেকে আনা হয় অভিজ্ঞ নারী-পুরুষও। ওই ক্যাসিনো থেকে মাসিক প্রায় ৩ কোটি টাকা আয় ছিলো ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার। আর এই টাকার ভাগ পেতেন অনেকেই। খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদে অবৈধ ক্যাসিনোগুলোর পেছনে থাকা স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সর্ম্পকে নানা তথ্য ও কারা টাকার ভাগ পেতেন জানতে পেরেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। তবে তার দেওয়া তথ্য সঠিক কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ক্লাবটিতে সব ধরনের জুয়া, মদ, ইয়াবা ও সুন্দরী নারীসহ সব ধরনের মনোরঞ্জের ব্যবস্থা ছিলো।
র‌্যাবের এক কর্মকর্তা বলেন, খালেদের নিয়ন্ত্রণাধীন আরো ক্যাসিনো আছে কিনা বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। তবে ক্যাসিনোর মতো অবৈধ ব্যবসা চালাতে গেলে অবশ্যই অর্থ ভাগাভাগির বিষয় থাকে। জুয়ার টাকার কারা কারা পেতে তাদের নামও জানিয়েছেন। বিদেশে খালেদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। এ কারণে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। তাকে গ্রেপ্তারের পর অনেকেই গাঁ ঢাকা দিয়েছে। বুধবার দেশের বাইরে যেতে চাইলেও গ্রেপ্তারের ভয়ে বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসেন খালেদসহ তার পাঁচ সহযোগী।
ইয়ংমেন্স ক্লাবের ডিলার লিজা ও মেঘা বলেন, ক্যাসিনোতে দুই শিফটে জুয়া খেলা হয়। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা এবং রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা। জুয়ার বোর্ডগুলো চীনা নাগরিকরা চালু এবং নেপালিরা বোর্ড পরিচালনা করে। তারা মাসিক ও দিন হিসাবে এখানে চাকরি করে। প্রতি শিফটে ৭০-৮০ জন মানুষ খেলে। কখনো বেশিও আসে। তবে রাতের বেলায় বেশি মানুষ থাকে। ক্লাবটির মালিক খালেদের প্রতিদিন আয় ছিল ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।
খালেদের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, ব্যাংককে একটি টু-স্টার মানের হোটেল ও পাতায়াতে ফ্ল্যাট ব্যবসায় বিনিয়োগ রয়েছে তার। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অভিজাত সুপারমল প্যাভেলিয়নের ওপরে ১১ কোটি টাকার অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন তিনি। স্কটল্যান্ডেও কিনেছেন বাড়ি। সিঙ্গাপুরেও তার সম্পদ রয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে উঠে খালেদ। জুয়ার টাকার ভাগ পেতো সংশ্লিষ্ট থানা, ডিসি, রাজনৈতিক নেতা, ওয়ার্ড কমিশনার, আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীরাও। এছাড়া যুববলীগের তিন প্রভাবশালী ও আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতাও ভাগ পেত।
র‌্যাবের মিডিয়া শাখার সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে সেগুলো এখনই প্রকাশ করা যাবে না। কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে। সম্পাদনা : রমাপ্রসাদ বাবু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]