• প্রচ্ছদ » » ভিসির প্রকৃত কাজ এবংবাস্তবে ভিসিরা কী করেন তা আমরা দেখছি


ভিসির প্রকৃত কাজ এবংবাস্তবে ভিসিরা কী করেন তা আমরা দেখছি

আমাদের নতুন সময় : 20/09/2019

আর রাজী

আমাদের এই রাষ্ট্রে (প্রায়) সবকিছু লিখিত আইন দিয়ে নির্ধারিত ও পরিচালিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী বা ভিসির কাজ কী সেসবও আইনে বলে দেয়া আছে। তবে আইন যেহেতু আমরা আমাদের ব্রিটিশ প্রভুদের কাছ থেকে পেয়েছি সুতরাং প্রভুরা তাদের প্রতিভ‚দের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করেই আইনগুলো তৈরি করেছে। (সাদা চোখে চট করে হয়তো তা ধরা পড়ে না।) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনগুলোও এর ব্যতিক্রম নয়। সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় আইনের আত্মা তাই একই রকম। অধিকাংশ আইন বলছে, ভিসির এক নম্বর কাজ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পর্ষদের সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তৃতা দেয়া, তিনি না পারলে তিনি যাকে ক্ষমতা দেন তিনি সে রূপ করবেন। এছাড়া চ্যান্সেলর না এলে সমাবর্তন সভায় তিনি সভাপতিত্ব করবেন। এ ধরনের কাজের কথা শুরুতে বলা হলেও আমরা ধরে নিতে পারি এসব তার আনুষ্ঠানিক (!) কাজ। কিন্তু ভিসির আসল বা প্রকৃত কাজটা উল্লেখ থাকে এর পর পরই। সেখানে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়-আইন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বত্র বিশ্বস্ততার সঙ্গে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখা এবং সবাইকে এই আইন-বিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে বাধ্য করার হচ্ছে ভিসির কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে বিদ্যমান আইন মেনে চলতে বাধ্য করার সব ক্ষমতা ভিসি মহোদয়কে আইন করে দেয়া হয়েছে। আর বাকি যে কাজগুলোর কথা বলা হয়েছে, সেসব ওই আইন মেনে চলার অংশ। যেমন তিনি সিনেট সিন্ডিকেট একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং ডাকতে পারবেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি-শৃঙ্খলা দেখবেন ইত্যাদি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদ সংশ্লিষ্ট আইন মেনে চলছে কিনা… এটা দেখা এবং যেখানে আইন মানা হচ্ছে না সেখানে তা মানতে বাধ্য করা হচ্ছে ভিসির প্রকৃত কাজ। কিন্তু বাস্তবে ভিসিরা কী করেন তা আমরা দেখছি। যেমন আমরা জানি, আইন বানানো আইনসভার সদস্যদের প্রধান কাজ, কিন্তু বাস্তবে তারা কী করেন তাও আমরা দেখি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]