• প্রচ্ছদ » » যুবলীগ সভাপতির হুঙ্কার দেখে মনে হচ্ছে তার বাড়া ভাতে গোবর ঢেলে দেয়া হয়েছে


যুবলীগ সভাপতির হুঙ্কার দেখে মনে হচ্ছে তার বাড়া ভাতে গোবর ঢেলে দেয়া হয়েছে

আমাদের নতুন সময় : 20/09/2019

আরিফ জেবতিক : ঢাকা শহরে যে এতোগুলো ক্যাসিনো চলে এটা গত কয়েক বছর ধরেই ওপেন সিক্রেট। শেখ হাসিনা যখন বলেছিলেন যে, যুবলীগের ক্যাডার পোষা অংশ যদি সংশোধন না হয় তাহলে তাদেরকে জঙ্গি দমনের মতো করেই দমন করা হবে, তখন বুঝতে হবে যে বিষয়টি নিরাপত্তা ও সকল জটিল পথ অতিক্রম করে শেখ হাসিনা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। কিন্তু যুবলীগ সভাপতির হুঙ্কার দেখে মনে হচ্ছে যে তার বাড়া ভাতে গোবর ঢেলে দেয়া হয়েছে। তিনি দাবি করছেন যে, এটি যুবলীগের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র, বিরাজনীতিকরণের একটি প্রক্রিয়া! তিনি দাবি করছেন যে এতোগুলো ক্যাসিনো যে ঢাকায় চলে, সেটা তিনি জানতেন না! যদি তিনি না জেনে থাকেন তাহলে এই না জানার অভিযোগেই তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা উচিত। যে জিনিস ওপেন সিক্রেট পাবলিক নলেজ, হাজার হাজার লোক যে শহরে জুয়া খেলছে, এই খবর তিনি জানেন না মানে তিনি ঢাকা শহর সম্পর্কে বিন্দুমাত্র খোঁজখবর রাখেন না। যে লোক ঢাকা শহর সম্পর্কে খোঁজখবর জানে না, রাজনৈতিক ক্রিটিকাল পোস্টে তারে রাখার কোনো মানে হয় না। অন্যথায় যুবলীগ সভাপতির উচিত খোঁজ খবর রাখা। শেখ হাসিনা যখন বলেছেন, দোষী যুবলীগ নেতারা শোভন-রাব্বানির চাইতেও খারাপ, তাহলে সেটা তিনি নিশ্চয়ই দায়িত্ব নিয়েই, তথ্য নিয়েই বলেছেন। এটাকে চ্যালেঞ্জ করার আগে যুবলীগ সভাপতির টের পাওয়া উচিত যে, খুঁটির জোরে লাফাইতে হয়, খুঁটির চ্যালেঞ্জ করে রাজনীতি করা যায় না। সরকারি দলের ভ‚ঁইফোড় আর রাষ্ট্রের দুর্নীতিবাজ আমলা শ্রেণির লোকজনের হাতে কী পরিমাণ টাকাপয়সা আছে, সেটার খোঁজখবর বের করা সরকারের জন্য কঠিন হবে না। এদের কোন কোন দেশে বাড়িঘর আছে, তার তালিকা করলে অনেকেই অবাক হয়ে যাবে। শোভন-রাব্বানি নিজেদের ঘরে হাত দিয়ে পদ হারিয়েছে, কিন্তু তাদের পূর্বসূরিদের সম্পদের কাছে এরা হয়তো শিশুতুল্য হবে। বাঁশ দিয়ে ব্রিজ বানানো, শেয়ারবাজার-ব্যাংক লুট, বালিশ-পর্দা কেনা থেকে কী নেই যেখান থেকে তারা কোটি কোটি টাকা কামায়নি! যাই হোক, অনেকে বলছেন যে জুয়ার আসরকে আইনগত ভিত্তি দেয়া যেতে পারে। কিন্তু আমি মনে করি এই দেশে জুয়ার আসর চলতে দেয়া উচিত নয়। হলে-মেসে আড্ডার ছলে টুয়েন্টি নাইনের কথা বলছি না, কিন্তু পেশাদার জুয়া অবশ্যই বন্ধ করা উচিত। কাঁচা টাকার লোকেরা তাদের হারাম টাকায় কী করল না করল আমার যায় আসে না, কিন্তু জুয়া খেলতে গিয়ে সংসার-ব্যবসা-চাকরি হারিয়ে শত শত লোক পথের ফকির হতে দেখেছি আমি। আমাদের বেশির ভাগ লোকেরই মাত্রাজ্ঞান নেই, হুশ নেই। জুয়া এমনই এক নেশা, যারে ধরে তারে আর সহজে ছাড়ে না। সব সো কল্ড আধুনিকতা আমাদের স্বাগত জানানোর দরকার নেই, হজমও হবে না। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]