বাংলাদেশে ইলিশ ধরা পড়ে ৭৫ ভাগ, মিয়ানমার ১৫ ও ভারতে ৫

আমাদের নতুন সময় : 25/09/2019


রাশিদ রিয়াজ : প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ শিকার বন্ধ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে ভাল ফলাফল পেয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের গণমাধ্যমে এখন প্রশ্ন উঠেছে ইলিশ পথ ভুলে কেন অন্য পথ ধরলো। যেন বাংলাদেশের পথ ধরেছে ইলিশ। ফলে পাতে সুস্বাদু নানা পদ থেকে আপাতত বঞ্চিত ভারতের ঘটি-বাঙাল সকলেই।
কিন্তু ইলিশের এমন আচমকা পথ পরিবর্তনের কারণ কী? হুগলি নদীর মুখে মাছ ধরার জাল এবং পলি জমে নদীর নাব্যতা নষ্ট হওয়ায় ইলিশের দল ফিরে যাচ্ছে বাংলাদেশের দিকেই। ঠিক এ কারণেই ওপার বাংলার নদীতে ইলিশের প্রায় দেখা পাওয়া যাচ্ছে না বললেই হয়। তাই ভারতের বাজারে রূপালি ইলিশের দাম আকাশ ছোঁয়া। খবর টাইস অব ইন্ডিয়ার।
২০০২-০৩ সালে হুগলি থেকে ধরা পড়েছিল ৬২ হাজার ৬০০ টন ইলিশ। ২০১৭-১৮ সালে তা নেমে দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৫৩৯ টনে। অর্থাৎ ৫৬ শতাংশ কমেছে ইলিশের যোগান। একই সময়ে বাংলাদেশে ইলিশ ধরা পড়েছে লক্ষণীয় হারে। ২০০২-০৩ সালে যে পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৯ হাজার ৩২ টন এবং ২০১৭-১৮ সালে তা বাংলাদেশে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার টন। বৃদ্ধি বেড়েছে প্রায় ১৬০ ভাগ।
ভারতের সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিসারিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান উৎপল ভৌমিক জানিয়েছেন, ইলিশ সাধারণত তিনটি পথ ধরে- হুগলি, বাংলাদেশের মেঘনা নদী এবং মিয়ানমারের ইরাবতী। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হুগলিতে অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা এবং পলি জমার কারণে ইলিশ আর এই পথে এগুচ্ছে না। বরং বেছে নিচ্ছে মেঘনা নদীপথ। সম্পাদনা : রমাপ্রসাদ বাবু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]