ছল-চাতুরির মাধ্যমে ব্রেক্সিট বিরোধীদের বহিষ্কার করতে পারেন বরিস জনসন, শঙ্কা জন মেজরের

আমাদের নতুন সময় : 28/09/2019


আসিফুজ্জামান পৃথিল : অক্টোবরের মধ্যেই ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ নিচে নামতে পারেন বরিস জনসন। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার জন মেজর এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করেন বর্তমান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নিজের কার্যোদ্ধারে প্রিভি কাউন্সিলকে ব্যবহার করে বিদ্রোহী এমপিদের বরখাস্ত করতে পারেন। ডেইলি মেইল
এ মাসের শুরুতে একটি আইন পাশ করেছে ব্রিটিশ পার্লমেন্ট। এই আইনের বদলে ব্রেক্সিটের জন্য আরো সময় চাইতে বাধ্য হবেন বরিস। প্রধানমন্ত্রী আইনকে সম্মান জানানোর কথা বললেও বলেছেন,৩১ অক্টোবরই ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে তিনি প্রয়োজনে মরবেন অথবা মারবেন। ব্রেক্সিটের জন্য প্রয়োজনে শহীদ হবেন, নর্দমায় পরে মরবেন কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ব্রেক্সিট সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন করবেন না।
এদিকে দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের প্রধান কর্মকর্তা ডমিনিক কমিন্স জানিয়েছেন, আইনকে অমান্য না করে এর ফাঁক বের করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এক ভাষণে স্যার মেজর বলেছেন এই আইনটিকে প্রিভি কাউন্সিলের এক নির্বাহী আদেশে বাইপাস করা হতে পারে। এবং এজন্য রানির কাছ থেকে আলাদা করে কোনো অনুমতি নিতে হবে না। তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে হুশিয়ার করে বলবো, যদি আপনি এই পথ নেন, এটি পার্লামেন্টের জন্য হবে চরম অবমাননাকর। একই সঙ্গে এটি হবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের চরমতম অবমাননা। এটি হবে একমন একটি রাজনৈতিক কপটতা, যা কেউ কখনই ভুলবে না, ক্ষমাও করবে না।’
তবে এই পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে তা পরিস্কর করেননি সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এই বিখ্যাত আইনজীবি। ২০০৪ সালের সিভিল কনটেনজেনসিস এ্যাাক্ট অনুযায়ী চাইলে এই ব্যবস্থা নেয়ার অধিকার রাখেন বরিস জনসন। এই আইন অনুযাযী রাষ্ট্রয়ী সঙ্কটের সময়ে প্রিভি কাউন্সিলের ক্ষমতা ব্যবহার করা যায়। তবে ডাউনিং স্ট্রিটের একটি সূত্র এটিকে বাজে ধারণা বলে জানিয়েছে এরকম কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]