বিশ্বে প্রতিদিন আনুমানিক ২০০ কোটি কাপ কফি খায় মানুষ

আমাদের নতুন সময় : 01/10/2019

রাশিদ রিয়াজ : কফি বর্তমানে শহরকেন্দ্রিক সমাজ ব্যবস্থায় যতটা হইচই এবং আলোচনা হয়ে থাকে তেমনটা আগে কখনো ছিল না। এর বাজারজাতে ধরন পাল্টে যাওয়া ছাড়াও কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা কফিকে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এক নিয়ামক শক্তি করে তুলেছে। প্রতিদিনের কাজ শুরু করার আগে, দুপুরের লাঞ্চের পর অথবা অলস বিকেলে অনেকটা অভ্যাসবশতই কফি পান করে থাকেন অনেকে। ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী ১৯৯১ সালে সারাবিশ্বে ৬০ কেজি ওজনের কফির ব্যাগ বিক্রি হয়েছিল ৯ কোটি। গত বছর তা বেড়েছে ১৬ কোটিতে। বিবিসি।
যে বীজগুলো চোলাই করে কফি উৎপাদন করা হয় সেগুলো আসলে একধরনের ফলের রোস্ট করা বীজ, একে বলা হয় কফি চেরি। কফির ভেতরের মূল চেরি ফলটিতে কামড় দিলে অনেকটা ডিম্বাকার দুই ভাগ হয় বীজটি। ৫ শতাংশ কফিতে ‘পিবেরি’ নামে একটি বীজই থাকে। এজাতের কফি কড়া স্বাদ ও চমৎকার মিশ্রণের জন্য বিখ্যাত। ‘সিভেট’ নামের স্তন্যপায়ী বিড়ালের বিষ্ঠা থেকে তৈরি কফির ৫০০ গ্রামের দাম ৭০০ ডলার। এ কফির প্রতিদ্বন্দ্বি হচ্ছে ব্ল্যাক আইভরি কফি। হাতে আলাদা করা কফি চেরি খাওয়ার পর থাইল্যান্ডের হাতিদের বিষ্ঠা থেকে তৈরি হয় এই জাতের কফি। যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ গ্রাম ব্ল্যাক আইভরি কফির মূল্য ৮৫ ডলারের কাছাকাছি।
কফিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে যা মানবদেহের কোষগুলোকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ ও রাসায়নিকের মিশ্রণ ঠেকাতে সাহায্য করে। দিনে অন্তত তিন কাপ কফি পান করলে হার্ট অ্যাটাক সহ অনেক জটিল রোগের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা সম্ভব। ১৬ বছর ধরে ইউরোপের দশটি দেশের ৫ লাখ মানুষের তথ্য থেকে পাওয়া গবেষণা ফল এটি।
ইথিওপিয়ায় জন্ম নেয়া কফিকে বলা হয় অ্যারাবিকা। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ কফিই এই জাতের। আমরা যে ইন্সট্যান্ট কফি পান করতে পছন্দ করি তা স্বাদে কিছুটা তিতকুটে এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন সমৃদ্ধ কফি যাকে বলে রোবাস্টা। এর জন্মস্থান মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু এলাকায় এবং ব্রাজিলে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]