বরিস জনসনের ব্রেক্সিট প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আমাদের নতুন সময় : 05/10/2019

ইকবাল খান : ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তবে তারা এই প্রস্তাব যাচাই করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি । ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরও যেসব সুবিধা ব্রিটেন নিতে চায় সে ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড টুস্কসহ ইইউ’র আরও বেশ ক’জন নেতা।
ইইউ কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ইতিমধ্যেই বরিস জনসনের পরিকল্পনায় সমস্যা চিহ্নিত করেছেন। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের মধ্যে সীমানার বিষয়টি সমাধান করতে না পারা। তারা ইইউ একক বাজার ব্যবস্থার জন্যেও হুমকি দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিেেছন।
ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, তিনি আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছেন। তিনি আরও লিখেছেন, বরিস জনসনের প্রতি আমার বার্তা হল, আমরা প্রস্তাব খোলা মনেই যাচাই করবো কিন্তু সন্তুষ্ট নই। ইইউ ছেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীএখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জ্যাঁ ক্লদ জাংকার বলেছেন, যুক্তরাজ্যে চুক্তির ব্যাপারে বেশ এগোলেও আরও অনেক কাজ বাকি। এই মুহূর্তে বরিস জনসনের প্রস্তাব মানার বিপক্ষে তিনি।
আর ইইউ ব্রেক্সিট বিষয়ক সমন্বয়ক গাই ভারহফস্টাডা সরাসরি বলেছেন, এই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। ইইউ পার্লামেন্টের ব্রেক্সিট কমিটি বলেছে আগে যা কথা হয়েছে নতুন পরিকল্পনায় তা নেই।
বরিস জনসনের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ব্রেক্সিটের পরও উত্তর আয়ারল্যান্ড খাদ্য, শিল্পজাত পণ্য ও পশু সম্পদের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক বাজার ব্যবস্থার মধ্যেই থাকবে। কিন্তু যুক্তরাজ্যের অন্য অংশের মতোই তারা শুল্ক ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাবে। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের সীমানার কী হবে সেটি আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
বরিস জনসনের প্রস্তাব হল উত্তর আয়ারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ থাকতে চায় কিনা সে ব্যাপারে সেখানকার পার্লামেন্টের প্রতি চার বছর পরপর সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা থাকবে।
আইরিশ প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকার নতুন প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তাতে নেই। বৃহস্পতিবার বরিস জনসন বলেছেন, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নতুন সমঝোতায় পৌঁছানোর সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই ইইউ কর্তৃপক্ষের সাথে দ্বিমত ঘোচাতে তিনি সত্যিকার অর্থেই চেষ্টা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী জনসন এই তারিখের আগেই ইইউ ছেড়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করলেও যুক্তরাজ্যের এমপিরা পার্লামেন্টে এমন আইন পাশ করে ফেলতে পারেন যার ফলে তাকে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে বিলম্ব করতে হতে পারে। যুক্তরাজ্য সরকার বলছে, তারা ১৭ অক্টোবরের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌছাতে চান।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]