কুমারী পূজায় ভক্ত ও দর্শনাথীদের ঢল আজ মহানবমী

আমাদের নতুন সময় : 07/10/2019

সুজন কৈরী : শারদীয় দুর্গোৎসবের চতুর্থদিনে আজ মহানবমী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা শুরু হবে সকালে। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে আরতি প্রতিযোগিতা। আজ সোমবার ম-পে ম-পে প্রধান আকর্ষণ থাকবে আরতি প্রতিযোগিতা। রাতকে উজ্জ্বল করে ভক্তরা মেতে উঠবেন নানা ঢঙে আরতি নিবেদনে। এদিকে গতকাল রোবাবর মহাষ্টমী তিথিতে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা দেখতে মন্দিরে মন্দিরে ভক্ত-দর্শনার্থীদের ঢল নামে। বিরামহীন ঢাক-ঢোল, কাঁসর আর ঘণ্টার শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পূজাম-প।
প্রতিবারের মতো এ বছরও শারদীয় দুর্গোৎসবের অষ্টমীতে দেশের সব রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনে ও কয়েকটি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমারী পূজা। ভোর থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জড়ো হতে থাকেন রামকৃষ্ণ মিশনসহ বিভিন্ন ম-পে। রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ম-পে অধিষ্ঠিত হন ‘কুমারী মা’। মাতৃভাবে কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা করে তাতে জগজ্জননীর উদ্দেশে শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশেই এ কুমারী পূজা। লাল টুকটুকে বেনারসি শাড়ি পরে আসেন কুমারী মা। আসনে আসার পরপরই শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। কুমারী পূজার ১৬টি উপকরণ দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বায়ু- এ পাঁচ উপকরণে দেয়া হয় মায়ের পূজা। অর্ঘ্য প্রদানের পর দেবীর গলায় পরানো হয় পুষ্পমাল্য। পূজা শেষে প্রধান পুজারী দেবীর আরতি দেন এবং তাকে প্রণাম করেন। সবশেষে পূজার মন্ত্রপাঠ করে ভক্তদের মধ্যে চরণামৃত বিতরণের মধ্য দিয়ে সকাল ১০টার কিছু পরে শেষ হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা।
গতকাল অষ্টমী পুজা ছাড়াও রাতে অনুষ্ঠিত হয় সন্ধিপুজা। অষ্টমীর শেষ নবমীর শুরুর সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয় সন্ধিপুজা। যেসব ম-পে কুমারী পূজা হয় সেখানে একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিনটি পূজো। দিনের বেলা অষ্টমী বিহিতপুজা আর কুমারী পূজা পরে সন্ধিপূজা। সকালে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির কেন্দ্রীয় পূজাম-পে দেবীর মহাষ্টমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
পূজা উপলক্ষে ভক্তদের জন্য রামকৃষ্ণ মিশন ছাড়াও দেশের অন্যান্য পূজাম-প ও সংলগ্ন এলাকায় ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]