• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » ‘ঠাকুর’ শান্তি পুরস্কার লাভ করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা


‘ঠাকুর’ শান্তি পুরস্কার লাভ করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা

আমাদের নতুন সময় : 07/10/2019

আমিরুল ইসলাম : শান্তি প্রতিষ্ঠা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ঠাকুর শান্তি পুরস্কার’ ২০১৮ প্রদান করেছে কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি। প্রধানমন্ত্রীর এ পুরস্কার প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, উন্নয়নের একটি পূর্বশর্ত হলো সামাজিক শান্তি এবং অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি। সাধারণ মানুষের মনে শান্তি আসে যদি পেটে ভাত থাকে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে বাংলাদেশের মানুষ আগের চেয়ে অনেক ভালোভাবে খেয়ে পরে বেঁচে আছে। এর একটা গোড়াপত্তন বঙ্গবন্ধু করেছিলেন যেটা মাঝখানে হোঁচট খেয়েছিলো, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরে এসে আবার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে সামনে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের দেশের যারা পিছিয়ে পড়া মানুষ তাদের নানা ধরনের সংরক্ষণের মাধ্যমে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তারা এখন মূলধারার অর্থনীতি এবং সমাজে ফিরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদারনৈতিক নেতৃত্ব দেবার ফলে আমাদের দেশের ধর্র্মীয় উগ্রবাদ এবং অন্যান্য অনৈতিক কাজগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন। সম্প্রতি তিনি দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। এগুলোর একটা সূদূরপ্রসারী প্রভাব উন্নয়নের উপর পড়বে। কারণ এর ফলে জবাবদিহিতা ও সুশাসনের ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে। সুতরাং এ মুহূর্তে এ ধরনের একটি শান্তি পুরস্কার খুব প্রাসঙ্গিক হয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন মানবিক কর্মকা- করতে আরও বেশি উৎসাহিত করবে। আমাদের পুরো সমাজে একটা বার্তা যাবে যে, মানুষের জন্য কাজ করলে তার স্বীকৃতি শুধু দেশে নয়, সারাবিশ্বেই মিলবে। সেকারণে আমরা অভিনন্দন জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি যে কর্ম শুরু করেছেন সেটা অব্যাহত রাখতে পারেন এবং এর একটা লজিক্যাল কনক্লুশান করতে পারেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, এটা যথার্থ সিদ্ধান্ত। সঠিক মানুষের হাতেই সঠিক পুরস্কারটি হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক অগ্রগতি সর্বক্ষেত্রে যে ভূমিকা রাখছেন সেটাই মূলত দেশে এবং সারাবিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সঠিক ভূমিকা। শান্তির কথা শুধু মুখে বললে হবে না। শান্তির জন্য সমাজে বৈষম্য কমানোর প্রয়োজন আছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রয়োজন আছে। তাহলে মানুষ সংঘাত ও হিংসা বিদ্বেষ থেকে ক্রমান্বয়ে দূরে সরে যাবে। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সারাবিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন, শেখ হাসিনা সেই পথ ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ চড়াই-উৎরাই পার করে ২০১৯ সালে তার যে অবস্থান বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক পরিম-লে তার যথাযথ মূল্যায়ন করেই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি এই পুরস্কারটি দিয়েছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাই এবং একইসঙ্গে কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
লেখক ও রাজনীতিবিদ নূহ-উল-আলম লেনিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার অবদানের জন্য অনেকগুলো পুরস্কার ও পদক লাভ করছেন। তার মধ্যে এটাও একটা। বিভিন্ন অবদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পুরস্কৃত করেছেন। এর মধ্যে কোনো নতুনত্ব নেই। যোগ্য লোকের হাতেই যোগ্য পুরস্কার উঠেছে বলে মনে করেন তিনি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]