বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কে জিরাফ পরিবারে নতুন অতিথি

আমাদের নতুন সময় : 07/10/2019

ফজলে মমিন : গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কে ফের জিরাফ শাবকের জন্ম হয়েছে। বর্তমানে এ শাবক নিয়ে পার্কে জিরাফের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১টিতে। গত ২৭ আগষ্ট বিকেলে এ শাবকের জন্ম হলেও শাবক ও তার মায়ের নিরাপত্তা বিবেচনা করে পার্ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গতকাল রোববার (৬অক্টোবর) গণমাধ্যমে তা প্রকাশ করেন। নতুন জন্ম নেয়া এ শাবকটি পুরুষ।
সাফারী পার্কের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক সারোয়ার হোসেন খান জানান, দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা হতে ১০টি জিরাফ আনা হয়েছিল। এসব জিরাফ থেকে এই পার্কে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার জিরাফ শাবকের জন্ম হয়েছে। তবে অসুস্থ হয়ে কয়েকটি জিরাফের মৃত্যুও হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৫জানুয়ারী পার্কের সর্বশেষ একমাত্র পুরুষ জিরাফের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে জিরাফ পরিবার ছিল পুরুষ শূণ্য। গত ২৭ আগষ্ট এই জিরাফ শাবকের জন্ম হলেও শাবকের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে একমাসের অধিককাল পর তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়। বর্তমানে মা ও তার শাবক সুস্থ আছে। নতুন শাবকটি মায়ের দুধ পানের পাশাপাশি ঘাসও খাচ্ছে। শাবকের খাদ্য নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মা জিরাফকে অতিরিক্ত কৃত্তিম খাবারও দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, জিরাফ মূলত আফ্রিকান তৃণভোজী স্তণ্যপায়ী প্রানী। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বাপ্রাণী হিসেবে জিরাফকে বিবেচনা করা হয়। একটি জিরাফ লম্বায় ১৮ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এদের গলা লম্বা হয় ৬ফুট পর্যন্ত। এদের হৃদপিন্ডে ৫৫ লিটার বায়ু ধারণ করতে পারে। জিরাফের প্রধান খাবার গাছের পাতা। এরা ১ সপ্তাহ পর্যন্ত পানি না খেয়ে থাকতে পারে। একটি স্ত্রী জিরাফের গর্ভকাল ১৪মাস পর্যন্ত হয়। জন্মলগ্নে শাবকের ওজন হয় ৫০-৬০কেজি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান জানান, জিরাফ বিদেশী প্রাণী হওয়ার পরও পার্ক কর্তৃৃপক্ষের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ফের একটি শাবকের জন্ম হয়েছে। ইতিপূর্বে এই পার্কের একমাত্র পুরুষ জিরাফের মৃত্যুতে আমরা আশাহত হয়েছিলাম তবে ফের একটি পুরুষ শাবকের জন্ম হওয়ায় আশার আলো দেখা দিয়েছে। নতুন জন্ম নেয়া শাবকটি যদি সুস্থ অবস্থায় বড় হয় তবে জিরাফের প্রজননে বড় ভূমিকা রাখবে এই শাবকটি। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]