• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » কমিটি নিয়ে বিবাদে বিএনপির আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে আইন সম্পাদকের কক্ষ ভাংচুর


কমিটি নিয়ে বিবাদে বিএনপির আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে আইন সম্পাদকের কক্ষ ভাংচুর

আমাদের নতুন সময় : 08/10/2019

এস এম নূর মোহাম্মদ : জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে বিবাদ। কমিটি ঘোষণার পর থেকেই নানাভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন পদবঞ্চিতরা। সভা-সমাবেশ বিক্ষোভ ছাড়াও অনেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন এরই মধ্যে।
প্রায় এক দশক ধরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি হিসেবে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও মহাসচিব পদে ব্যরিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর মধ্যে রফিকুল ইসলাম মিয়া শারিরীক অসুস্থতার কারনে সময় দিতে পারেননা। আর মহাসচিবও বারসহ নানা কারনে ব্যাস্ত থাকেন। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে কোন কর্মসূচি না পালন না করায় অনেকটায় ঝিমিয়ে পড়েছিল ফোরাম। যার কারনে কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিল বিএনপির আইনজীবীদের অনেকে।
আইনজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক চারবারের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আহ্বায়ক এবং সাবেক ছাত্রনেতা ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এ কমিটিকে ৯০ দিনের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করতে বলা হয়। এ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পরই বিক্ষোভ করতে থাকে পদবঞ্চিত আইনজীবীদের একটি অংশ।
সব শেষে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে দলের আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কক্ষে। কায়সার কামাল আহ্বায়ক কমিটিরও যুগ্ম আহ্বায়ক। পদবঞ্চিত অ্যাডভোকেট মনিরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শেষে এ ভাংচুর চালানো হয়।
আইনজীবী মনির হোসেন বলেন, গত তিন দশক আইনজীবী ফোরামের সঙ্গে আছি। দলের সুখে দুঃখে ছিলাম আছি। কিন্তু কমিটি গঠনে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। আমরা অবিলম্বে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের কমিটিতে দেখতে চাই। না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। এর আগে কমিটিতে না রাখায় ঢাকা আইনজীবী সমিতি ইউনিটের নেতা মো. মহসিন মিয়া, গোলাম মোস্তফা খানসহ বেশ কয়েকজন পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নতুন কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, একটা বৃহৎ রাজনৈতিক দলের পেশাজীবীদের কেন্দ্রীয় সংগঠনের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে একটু সমস্যা হতেই পারে। সবাই চায় কমিটিতে থাকতে। আহ্বায়ক কমিটি হয়েছে। এখানে যোগ্য কেউ বঞ্চিত হয়ে থাকলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তাদেরও কমিটিতে থাকার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি।
ভাংচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দলীয়ভাবে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। কারো বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা।
জানতে চাইলে গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়া মুক্তি আইনজীবী আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, আমি খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আইনজীবীদের সমাবেশ সফল করতে কাজ করছি। শুনেছি আহ্বায়ক কমিটিতে আমাকে রাখা হয়েছে। তবে এ নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই। আর কমিটি বা ভাংচুরের বিষয়ে আমি কোন মন্তব্য করবো না। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]