• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » জিডিপি প্রবৃদ্ধির সমানতালে বাড়েনি দারিদ্র্য বিমোচনের গতি জানালো বিশ্বব্যাংক


জিডিপি প্রবৃদ্ধির সমানতালে বাড়েনি দারিদ্র্য বিমোচনের গতি জানালো বিশ্বব্যাংক

আমাদের নতুন সময় : 08/10/2019

মো. আখতারুজ্জামান : দেশে শ্রম আয় বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোনয়ন হয়েছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সেই তুলনায় দারিদ্র্য বিমোচন হয়নি। তবে ২০১০ থেকে ২০১৬ সালের এ সময়ে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়েছে। এ সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পেতে পারতো বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। একই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বিশ^ব্যাংকের প্রতিবেদন অনেক পুরনো। এখন আর সেই অবস্থানে নেই। সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ব্যাংকটি এ বিষয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন, সাধারণ অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব শামসুল আলম, ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান প্রমুখ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দারিদ্র্য হার কমেছে অসমভাবে। পশ্চিমে রংপুর বিভাগে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে এবং রাজশাহী ও খুলনায় একই জায়গায় রয়েছে। দেশের মধ্যে দারিদ্র্য বেড়েছে কুড়িগ্রামে। অন্যদিকে চট্টগ্রামে দারিদ্র্য কমেছে পরিমিতভাবে এবং বরিশাল, ঢাকা ও সিলেটে দ্রুত কমেছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, গত দশকে দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করে। কিন্তু এখনও প্রতি ৪ জনের ১ জন দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। বাংলাদেশকে আরও অনেক কিছু করতে হবে বিশেষত দারিদ্র্যের নতুন ক্ষেত্রগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। যেমন শহর এলাকায় দারিদ্র্য মোকাবিলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আলোচ্য সময়ে, দারিদ্র্য বিমোচনের ৯০ শতাংশই গ্রামে হয়েছে। শহরে দারিদ্র্য কমেছে সীমিত হারে এবং অতি-দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে শহরের লোকের অংশ একই রয়ে গেছে। ফলে জাতীয় দারিদ্র্য বিমোচনের গতি ধীর হয়েছে।
কৃষি নয়, গ্রামাঞ্চলে দারিদ্র্য হার কমাতে শিল্প ও সেবা খাত বেশি অবদান রেখেছে। আলোচ্য সময়কালে কৃষি প্রবৃদ্ধি ধীর ছিলো এবং আগের চেয়ে দারিদ্র্য বিমোচনে কম অবদান রেখেছে। শহর অঞ্চলে ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন খাতে বিশেষত তৈরি পোশাক খাত দারিদ্র্য কমাতে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখেছে। দারিদ্র্য বিমোচনের ৯০ শতাংশই গ্রামে হয়েছে। শহরে দারিদ্র্য কমেছে সীমিত হারে। এছাড়া অতিদারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর মধ্যে শহরের লোকের সংখ্যা একই রয়ে গেছে।
কৃষি নয়, গ্রাম অঞ্চলে দারিদ্র্য কমাতে শিল্প ও সেবা খাত অবদান রেখেছে। আলোচ্য সময়কালে কৃষি প্রবৃদ্ধি ধীর ছিলো এবং সবচেয়ে কম দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রেখেছে।
শহরাঞ্চলে ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন খাত বিশেষত তৈরি পোশাক খাত দারিদ্র্য কমাতে শীর্ষ স্থানীয় ভূমিকা রেখেছে। এদিকে, উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থানের ধীর গতির কারণে সুবিধা পেতে পারতো এমন পরিবার অংশ চিহ্নিত হয়েছে।
অর্থনীতিবিদ এবং প্রতিবেদনটিরসহ লেখক মারিয়া ইউজেনিয়া জেননি বলেন, প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে, প্রথাগত বিভিন্ন চালিকাশক্তি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু অগ্রগতির ক্ষেত্রে কিছু চালকের ক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]