• প্রচ্ছদ » » চুড়ান্ত বিদ্বেষ কিংবা গালির জবাবও নতুন মত, তথ্য দিয়েই দিতে হয়


চুড়ান্ত বিদ্বেষ কিংবা গালির জবাবও নতুন মত, তথ্য দিয়েই দিতে হয়

আমাদের নতুন সময় : 09/10/2019

শাকিল আহমেদ : ভিন্নমত তো বটেই, চ‚ড়ান্ত বিদ্বেষ কিংবা গালির জবাবও নতুন মত, তথ্য দিয়েই যে উন্নত সমাজের দেশে দেয়া হয় সেটি একদিনে তৈরি হয়নি। প্রথমে চ‚ড়ান্ত বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে সংবিধানে। তারপর যেকোনো অপপ্রচার ঠেকানোর প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ও খুঁজে বার করা হয়েছে। কেবল শারীরিক আক্রমণের বা হত্যার হুমকির জন্য শাস্তির বিধান রাখা আছে ..নচেৎ যা খুশি তাই বলার স্বাধীনতা সমাজে এবং সামাজিক মাধ্যমেও দেয়া আছে। তাহলে বিদ্বেষপূর্ণ মতের জন্য রায়ট লাগে না কেন? অথবা অপপ্রচার করে রাজনৈতিক সমর্থনও কি দুষ্টচক্রের পক্ষে চলে যায না? প্রাথমিক ভাবে যায়, কিছু আগুনও লাগে। তবে অপপ্রচারের জবাব দিতে সব দল সংস্থা এমনকি করপোরেট সংস্থার সংগে ব্যাকএন্ডে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান অথবা থিংকটাংক বা নাগরিক সংস্থা আছে।
মিডিয়াও এখানে প্রকৃত তথ্য তুলে আনতে ভ‚মিকা রাখে ..নতুন কোনো ‘অপপ্রচার’ দেখা দিলেই তার জবাব আসল তথ্য অথবা রাজনৈতিক দল যে তথ্য জানাতে চায় সেই ‘বটিকা’ সকল যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার করে তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। কথার জবাব কথাতেই দিতে থাকে। ব্যাপারটা এমন নয় যে ব্যক্তি মন্ত্রী সকালে পত্রিকা দেখে যেকোনো একটি প্রসঙ্গ জবাব দিয়ে দিলেন। আসলে ফেনী নদী নিয়ে ভারতের সঙ্গে কি হয়েছে তার ব্যাখ্যা হয়তো বাদই রয়ে গেলো। রাজনৈতিক দলতো বটেই সরকারেরও একটা প্রাতিষ্ঠানিক প্রকাশ্য উদ্যোগ থাকা উচিত যারা প্রতিদিন অপপ্রচারের জবাব দেবেন। পুরাটা আসলে একটা যোগাযোগ বিজ্ঞান। ওয়াশিংটনে এমন একটি থিংকট্যাংক সংস্থার কর্তার সংঙ্গে কথা হচ্ছিলো যারা প্রতিদিন ‘মিডিয়া ব্রিফ’ তৈরি করেন। রাজনীতিবিদরাও একই জবাবদিহিতামূলক চর্চার মধ্য দিয়ে একেকটা বৈতরণী পার হয়; ফলে দলগুলোতে মেধাবী মানুষদের ওপর ..নাগরিক সমাজের ওপর মিডিয়ার ওপর নির্ভরতা তৈরি হয়। পেশিশক্তি ক্যাডার বাহিনীর প্রয়োজন ফুরায়। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]